CBSE বোর্ড যখন ক্লাস ১২-এর ভেরিফিকেশন ও পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়া ২০২৬ সালের জন্য খুলে দেয়, তখন অনেক ছাত্র তাদের উত্তরপত্রের ফটোকপি চেক করতে শুরু করে ৷ কারণ কম নম্বর ও নতুন অন-স্ক্রিন মার্কিং (OSM) সিস্টেম নিয়ে অভিযোগ উঠেছিল। যেখানে অনেক ছাত্র ঝাপসা স্ক্যান ও পাতার অভাবের কথা জানিয়েছে ৷ সেখানে একজন ছাত্রের X হ্যান্ডলে করা পোস্ট এখন অনলাইনে বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
একটা বিস্তারিত পোস্টে ওই ছাত্র দাবি করেছে যে, তার রোল নম্বরের অধীনে CBSE যে ফিজিক্স উত্তরপত্র আপলোড করেছে, সেটা তার নিজের খাতা না। সে সঙ্গে সঙ্গে খেয়াল করেছে যে, হাতের লেখা আর উত্তরগুলো তার পরীক্ষায় লেখা থেকে মেলে না। ওই ছাত্র লিখেছে, “আমি একজন CBSE ক্লাস ১২-এর ছাত্র। ফিজিক্সে অপ্রত্যাশিতভাবে কম নম্বর পাওয়ার পর, আমরা CBSE পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমার উত্তরপত্রের ফটোকপি চেয়েছিলাম। আজ আমরা কপিগুলো পেয়েছি। আর আমি ভেঙে পড়েছি কারণ CBSE যে ফিজিক্স উত্তরপত্র আপলোড করেছে, সেটা আমার না।”
ছাত্রটি বলেছে, তার পরিবার এবং শিক্ষকরা আপলোড করা ফিজিক্স উত্তরপত্রে বড় ধরনের পার্থক্য দেখেছেন। ‘‘CBSE যে ফিজিক্স উত্তরপত্র পাঠিয়েছে, সেটা একদমই আমার উত্তরপত্র নয়। আমি জানি এটা আমার হাতের লেখা নয় এবং এতে আমি যে প্রশ্নগুলো উত্তর দিয়েছিলাম, সেগুলো ছিল না। শুধু আমি না, আমার পরিবার, শিক্ষক, এবং যারা আমার লেখা চেনে, সবাই সঙ্গে সঙ্গে পার্থক্যটা বুঝে গেছে,’’ সে লিখেছ। তার দাবিকে সমর্থন করতে, ছাত্রটি ফিজিক্স উত্তরপত্রের সঙ্গে তার ইংরেজি এবং কম্পিউটার সায়েন্স পত্র, আর তার হাতে লেখা নোট তুলনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘‘ইংরেজি আর কম্পিউটার সায়েন্সের কপিগুলো একে অপরের সঙ্গে স্পষ্টভাবে মিলে যায়। কিন্তু ফিজিক্স কপিটা দেখে মনে হয়, এটা একেবারে অন্য কোনও ছাত্রের।’’
ছাত্রটি আরও দাবি করেছে যে পার্থক্যটা এতটাই স্পষ্ট ছিল যে উপেক্ষা করা যায় না। “হাতের লেখার স্টাইল, অক্ষর গঠনের ধরন, ফাঁকা জায়গা, হেলান, বাক্যের গতি—সবকিছুই আলাদা। এটা ছোটখাটো পার্থক্য না। এটা পুরোপুরি আলাদা লেখা,” সে যোগ করেছে।
ছাত্রটি জরুরি তদন্তের দাবি করেছে:
ছাত্রটি প্রশ্ন তুলেছে, অন্য কোনও ছাত্রের উত্তরপত্র কি তার রোল নম্বরের অধীনে দেখা হয়েছে কি না, CBSE-র OSM সিস্টেমে কোনও ভুলের কারণে। ছাত্রটি আরও জানায়, “যদি এটা সত্যি হয়, তাহলে আমার রোল নম্বরের অধীনে ঠিক কী মূল্যায়ন করা হয়েছে? আমার খাতা? নাকি অন্য কারও? এটা আর শুধু ‘পুনর্মূল্যায়ন’-এর বিষয় না। এটা হতে পারে CBSE-র OSM সিস্টেমে গুরুতর উত্তরপত্র অদলবদল বা ট্যাগিংয়ের ভুল ৷’’