
কয়েকদিন আগেও এই অভিনেতার বিরুদ্ধে একই ধরনের একটি অভিযোগ ওঠে। অভিযোগকারী তরুণ দাস বালুরঘাটের মঙ্গলপুর এলাকার বাসিন্দা , তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজকও বটে। তাঁর দাবি, সোহম চক্রবর্তীকে সিনেমায় অভিনয়ের জন্য মোটা অঙ্কের টাকা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু টাকা নেওয়ার পরেও তিনি ছবির কাজে অংশ নেননি। এই অভিযোগের পর পাল্টা অভিযোগও আনেন সোহম। অভিনেতার দাবি ছিল, ওই প্রযোজকের তরফে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
এটাই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিকবার বিতর্কে জড়িয়েছে সোহম চক্রবর্তীর নাম। একটি হোটেলে শুটিং করতে গিয়ে হুজ্জতির অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। ২০২৪ সালের জুন মাসে, শুটিং করতে গিয়ে শুক্রবার সন্ধেয় নিউটাউন সাপুরজি এলাকার একটি রেস্তোরাঁর মালিককে মারধরের অভিযোগ ওঠে অভিনেতা তথা চণ্ডীপুরের তৎকালীন তৃণমূল বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার নিউটাউনের ওই ঘটনায় তুমুল অশান্তি ছড়ায়। মারধরের অভিযোগ স্বীকার করে সোহম দাবি করেন, ওই হোটেল মালিক তাঁর নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কটূক্তি করেন। যদিও সিসিটিভি ফুটেজে সোহমকে মারধর করতে দেখা গিয়েছিল।সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেও তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।
(Feed Source: abplive.com)
