Love Affair: পঞ্জাবে নাবালিকাকে খুনের অভিযোগ, দেহ সুটকেসে ভরে পুড়িয়ে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা; গ্রেফতার মায়ের প্রেমিক।
পঞ্জাবে নাবালিকাকে খুনের অভিযোগ (প্রতীকী ছবি)
পঞ্জাব: এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পঞ্জাবের নগর জেলায়। অভিযোগ, ২৩ বছরের এক যুবক ১৫ বছরের এক কিশোরীকে খুন করার পর তার দেহ একটি সুটকেসে ভরে আগুন লাগিয়ে প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করে। ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মৃত কিশোরীর পরিচয় উষা রানির মেয়ে হিসেবে জানা গিয়েছে। তিনি শহিদ ভগৎ সিং নগর জেলার নওয়ানশহরের গড়শঙ্কর রোড এলাকার বাসিন্দা। গত ২৯ মে থেকে ওই কিশোরী নিখোঁজ ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার সূত্রপাত হয়, যখন কিশোরীর মা নওয়ানশহর সিটি থানায় মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি জানান, তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাঁর মেয়েকে নিয়ে গিয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
তদন্ত যত এগোয়, ততই সামনে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ জানতে পারে, অভিযুক্ত ব্যক্তি আর কেউ নন, বরং ওই মহিলার প্রেমিক। অভিযুক্তের নাম গুরবিন্দর সিং ওরফে গুরপ্রীত গোপা। তিনি জাদলি গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। শহিদ ভগৎ সিং নগরের সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ (এসএসপি) তুষার গুপ্ত জানান, তদন্তে গুরবিন্দর সিং-ই এই মামলার প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে উঠে আসে।
জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিযুক্ত নাবালিকাকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে বলে অভিযোগ। এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযুক্তের সঙ্গে কিশোরীর মায়ের সম্পর্ক ছিল এবং সে প্রায়ই তাঁদের বাড়িতে যাতায়াত করত। কিন্তু ওই সম্পর্কের বিরোধিতা করত কিশোরী। এই বিষয়টি নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে মতবিরোধ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের অনুমান। পুলিশের দাবি, ২৯ মে গড়শঙ্কর রোডে ভাড়া বাড়িতে একা থাকা অবস্থায় কিশোরীকে পেয়ে অভিযুক্ত তাকে শ্বাসরোধ করে খুন করে।
তদন্তকারীদের দাবি, হত্যার পর অভিযুক্ত কিশোরীর দেহ একটি সুটকেসে ভরে হোশিয়ারপুর জেলার খুরালগড় গ্রামের কাছে একটি বনাঞ্চলে নিয়ে যায়। সেখানে সুটকেসে আগুন লাগিয়ে দেহ পুড়িয়ে প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ।
অভিযুক্তের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ইন্সপেক্টর অবতার সিংয়ের নেতৃত্বে একটি পুলিশ দল এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ওই এলাকায় তল্লাশি চালান। সেখান থেকে দগ্ধ কঙ্কালসার দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে, যা নিহত কিশোরীর বলে মনে করা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষ ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
(Feed Source: news18.com)