)
HIV MASSIVE SPIKE 2026: ডেটিং অ্যাপের আলাপ সোজা বিছানায়! সেখানেই বেলাগাম! লিঙ্গ নির্বিশেষে উদ্দাম যৌনাচারে মেতেছে ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সীরা! এই মুহূর্তে ভয়াল স্পাইক… HIV অ্যাক্টিভ কেস এখন ৬৬০০০+
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ভারতে বর্তমানে প্রায় ২৫ থেকে ২৬ লাখ মানুষ এইচআইভি (HIV) নিয়ে বাস করছেন! এই রোগে আক্রান্ত মোট জনগোষ্ঠীর প্রায় ৬ শতাংশ এই দেশেরই। দক্ষিণ আফ্রিকার পরেই ভারত দুয়ে। যদিও জনসংখ্যার অনুপাতে প্রাদুর্ভাবের বিচারে ভারত বেশ পিছনের সারিতেই রয়েছে। তবে কর্ণাটক থেকে চলে এল হাড়হিম আপডেট। যা বুকে রীতিমতো ভয় ধরাচ্ছে। কর্ণাটকে পুরুষের সঙ্গে পুরুষের যৌন সম্পর্কের (মেল-টু-মেল সেক্সুয়াল কনট্যাক্ট ওরফে এমএমএস) ফলে এইচআইভি/এইডস আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।
এমএমএস ভয়াল আকার ধারণ করেছে। কর্ণাটক স্টেট এইডস প্রিভেনশন সোসাইটির (কেএসএপিএস) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ সালে অ্যাক্টিভ কেস (আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা) ছিল ৪৪ হাজার ৫৮১, ২০২৪-২০২৫ সালে তা ছিল ৬২ হাজার ৬৬৪। আর ২০২৫-২৬ সালে এসে হয়ে গেল ৬৬ হাজার ৬০৬। বিশেষ করে ১৮-২৫ এবং ২৬-৩৫ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীর মধ্যেই এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। কর্ণাটকে এইচআইভি সংক্রমণই সবচেয়ে বেশি। এই বছর নতুন করে ৪১৭ জনের মধ্যে এই সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কর্তৃপক্ষ কলেজের হস্টেল ও কর্পোরেট অফিসগুলিতে সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে। সমলিঙ্গের মধ্যে শারীরিক ঘনিষ্ঠতার ক্ষেত্রে নিরাপদ যৌন আচরণ সম্পর্কে আমরা সচেতনতা বাড়াচ্ছি। হস্টেলগুলিতে সংক্রমণের প্রাদুর্ভাবের কারণে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। এমন অনেক ঘটনাও রয়েছে যেখানে পুরুষরা প্রথমে নারী যৌনকর্মীদের সঙ্গে এবং পরে অপর পুরুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছেন! যা সংক্রমণের সংখ্যা বাড়াতে বড় ভূমিকা নিয়েছে।’ এক সর্বভারতীয় মিডিয়ায় এমনই জানিয়েছেন কেএসএপিএস-এর প্রজেক্ট ডিরেক্ট পদ্মা বি।
সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে
মানুষকে BreakFree অ্যাপে যুক্ত হতে আহ্বান জানানো হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা পাওয়ার পাশাপাশি এইচআইভি ও অন্যান্য যৌনবাহিত রোগের ঝুঁকি যাচাই করা যায়। কেএসএপিএস-এর উদ্যোগে রাজ্য জুড়ে ৪৪২টি ‘রেড রিবন ক্লাব’ সচেতনতা বাড়ানোর কাজ করছে। যার মধ্যে ৪০টিরও বেশি ক্লাব রয়েছে বেঙ্গালুরুতে। এই ক্লাবগুলি তরুণদের এইচআইভি/এইডস প্রতিরোধ, যৌনতা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন সম্পর্কে সচেতন করে তোলে। পদ্মা বলেন, ‘সহায়তার জন্য আমাদের ১০৯৭ হেল্পলাইনও চালু রয়েছে। আমরা বিভিন্ন কর্পোরেট অফিসেও সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করছি এবং রোগ পরীক্ষার জন্য দু’মাস ব্যাপী ক্যাম্পের আয়োজন করছি।’ এমএমএস চিকিৎসার ক্ষেত্রে নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বেঙ্গালুরুর এক হাসপাতালের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ (সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. স্বাতী রাজাগোপাল বলেন, ‘ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ বৃদ্ধি পাওয়ায় সঙ্গী খুঁজে পাওয়া সহজ হয়ে গিয়েছে, যার ফলে যৌন সম্পর্কের সংখ্যাও বেড়ে যাচ্ছে। অনিয়মিত কনডোম ব্যবহার, এইচআইভি ছাড়া অন্যান্য যৌনবাহিত সংক্রমণ সম্পর্কে সীমিত সচেতনতা এবং ঝুঁকির বিষয়টি সঠিক ভাবে অনুধাবন না করাও গুরুত্বপূর্ণ কারণ। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীরা সিফিলিস ও গনোরিয়া রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে দেখেছেন। এই প্রবণতা উদ্বেগজনক, কারণ যৌনবাহিত সংক্রমণ বা এসটিআই-এর সঠিক চিকিৎসা না হলে তা গুরুতর জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে এবং এইচআইভি সংক্রমণ বা তা ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও বাড়িয়ে দিতে পারে। আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হল অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী গনোরিয়ার প্রাদুর্ভাব, যা চিকিৎসার কাজকে আরও কঠিন করে তোলে।’ দেখা যাক এবার সরকার আর কী কী ভাবে এই রোগের মোকাবিলা করতে পারে…
(Feed Source: zeenews.com)
