)
Shatrughan Sinha: ‘২০১৯ সালে পাটনার নির্বাচনে পরাজয়ের পর যখন আমি কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন খুব কম মানুষই আমার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের মধ্যে অন্যতমট।
রাজীব চক্রবর্তী: তৃণমূলের ভাঙনের মাঝেই বড় আপডেট। ‘আমার কঠিন সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তাই আজ তাঁর কঠিন সময়ে আমি তাঁকে ছেড়ে যেতে পারি না’। নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা।
আসানসোলের তৃণমূল সাংসদ বলেন, ‘২০১৯ সালে পাটনার নির্বাচনে পরাজয়ের পর যখন আমি কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন খুব কম মানুষই আমার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের মধ্যে অন্যতম। তিনি আমাকে সমর্থন ও উৎসাহ দিয়েছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, আমার সংসদীয় যাত্রায় কোনও বিরতি আসা উচিত নয়। তাঁর নির্দেশেই আমি আসানসোল থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। ঈশ্বরের কৃপায় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও আসানসোলের মানুষের সমর্থনে আমি জয়ী হই’।
শত্রুঘ্নের আরও বক্তব্য, ‘গত কয়েক দিন ধরে আমাকে নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে। কেউ কেউ সত্য কথা বলছেন, আবার কেউ গুজব ছড়াচ্ছেন। এমনও দাবি করা হয়েছে যে আমি তথাকথিত বিদ্রোহী গোষ্ঠীতে যোগ দিয়েছি। আমার নীতি খুবই স্পষ্ট—যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তখন আজ তাঁর এই কঠিন সময়ে তাঁর পাশে দাঁড়ানোই আমার কর্তব্য। আমি একবার নয়, দু’বার ঈশ্বরের আশীর্বাদে তৃণমূল কংগ্রেসের ‘জোড়া ফুল’ প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছি। সুতরাং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের পাশে দাঁড়ানো আমার কর্তব্য ও দায়িত্ব’।
তৃণমূলে ‘বিদ্রোহ’। বিধানসভা পর এবার লোকসভাতেও একা মমতা। ‘দিদি’র হাত ছাড়লেন কারা? গতকাল বুধবারই ১৯ সাংসদের একটি তালিকা প্রকাশ্যে এসেছে। সেই তালিকায় নাম রয়েছে আসানসোলের সাংসদ শত্রুঘ্নের। যদিও সূত্রের খবর, স্পিকার যে পাঠানো হয়েছে, সেই চিঠিতে এখনও তিনি সই করেননি। দুটি শর্ত রেখেছেন।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী পদে ১২ বছর পূর্তিতে মোদীর প্রশংসা করে আবার এক্স হ্যান্ডেল পোস্ট দিয়েছে শত্রুঘ্ন। তিনি লিখেছেন, আমাদের বন্ধু এবং সমাজ ও দেশের পথপ্রদর্শক, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কে পদে থাকার ১২ বছর পূর্ণ করার জন্য অনেক শুভেচ্ছা। সম্ভবত এটিই এ যাবৎকালের দীর্ঘতম মেয়াদ। আপনার দীর্ঘ, সুস্থ ও সমৃদ্ধ জীবন কামনা করি। জয় হিন্দ’!
২০২২ সালে তৃণমূলর কংগ্রেসে যোগ দেন শত্রুঘ্ন সিনহা। এরপর উপনির্বাচনে জিতে আসানসোলের সাংসদ হন তিনি। ২০২৪-র লোকসভা ভোটেও আসানসোল ফের জেতেন তিনি।
(Feed Source: zeenews.com)
