
চলতি সপ্তাহে এই নিয়ে তৃতীয় বার ওমান উপকূলে জাহাজে হামলা হল, যার প্রত্যেকটিতেই ভারতীয় কর্মীরা মোতায়েন ছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় আমেরিকার সেন্ট্রাল কম্যান্ড জানিয়েছে, গিনি-বিসাউয়ের পতাকা লাগানো ‘M/T জলবীর’ জাহাজটি ইরান থেকে তেল নিয়ে ওমান উপসাগর পেরোচ্ছিল। (US-Iran War News)
সেন্ট্রাল কম্যান্ড জানিয়েছে, আমেরিকার যুদ্ধবিমান থেকে দু’টি Hellfire মিসাইল ছোড়া হয় জাহাজের ইঞ্জিন রুম লক্ষ্য় করে। জাহাজটি আমেরিকার বাহিনীর নির্দেশ অমান্য করে বলে দাবি তাদের। আমেরিকার দাবি অনুযায়ী, নির্দেশ অমান্য করায় এখনও পর্যন্ত নয়টি জাহাজকে নিষ্ক্রিয় করেছে তারা। অভিমুখ ঘুরিয়ে দিয়েছে ১৩৫টি জাহাজের। মানবিক স্বার্থে ত্রাণ নিয়ে যাওয়া ৪২টি জাহাজকে ছাড়পত্র দিয়েছে তারা।
— U.S. Central Command (@CENTCOM) June 11, 2026
এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত। বৃহস্পতিবার ভারতের বিদেশমন্ত্রক এই হামলাকে ‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক’ বলে উল্লেখ করে। অবিলম্বে এই ধরনের হামলা বন্ধ করতে আর্জি জানায়। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “ভারতীয় নাবিকরা সওয়ার একাধিক জাহাজের সঙ্গে গত কয়েক দিনে পশ্চিম এশিয়ায় পর পর এমন ঘটনা ঘটেছে। আমাদের নাবিকদের কল্যাণ এবং নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বার বার একথা স্মরণ করিয়ে দিতে হবে না আশা করি।”
এর আগে, গতকালই ওমান উপকূলের কাছে আর একটি জাহাজে হামলা হয়, যাতে তিন ভারতীয় নাগরিক প্রাণ হারান। ওই ঘটনার পর ভারে আমেরিকার CDA-কে তলব করে দিল্লি। এই ঘটনার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। আর তারপরই ‘MT Jalveer’ জাহাজে হামলা হল। পালাউয়ের পতাকা লাগানো তেলের ট্যাঙ্কার ‘Settebello’-তেও হামাল চালায় আমেরিকা। তিন ভারতীয় নিখোঁজ হয়ে যান। আমেরিকার দাবি, ইরানের উপর তাদের আরোপিত অবরোধ অমান্য করেছিল জাহাজটি।
সোমবার MT Marivex জাহাজেও হামলা হয়। হরমুজ় প্রণালীর দক্ষিণে হামলা চালানো হয়। হামলার সময় জাহাজে সওয়ার ছিলেন ২৪ জন ভারতীয়।
