Moto G Max 5G: ২০০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ও মিলিটারি-গ্রেড বডি নিয়ে হাজির Motorola-র নতুন শক্তিশালী ৫জি ফোন! জানুন দাম ও ফিচার

Moto G Max 5G: ২০০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ও মিলিটারি-গ্রেড বডি নিয়ে হাজির Motorola-র নতুন শক্তিশালী ৫জি ফোন! জানুন দাম ও ফিচার

 

Motorola-এর নতুন Moto G Max 5G স্মার্টফোনে মিলছে ২০০MP ক্যামেরা, ১২০Hz AMOLED ডিসপ্লে, MediaTek Dimensity 6400 প্রসেসর এবং ৫২০০mAh ব্যাটারি। প্রিমিয়াম ফিচারে ভরপুর এই ফোনটি শক্তিশালী পারফরম্যান্স ও দুর্দান্ত ফটোগ্রাফির অভিজ্ঞতা দিতে পারে।

স্মার্টফোন বাজারে সাড়া ফেলতে Motorola তাদের নতুন শক্তিশালী স্মার্টফোন Moto G Max 5G লঞ্চ করেছে। এই ফোনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হল এর ২০০ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি ক্যামেরা। সংস্থার দাবি, সফটওয়্যার এনহ্যান্সমেন্টের সাহায্যে এটি ২২০MP পর্যন্ত সুপার-ডিটেল ছবি তুলতে সক্ষম। তবে এই ফোনের বিশেষত্ব শুধু ক্যামেরাতেই সীমাবদ্ধ নয়। শক্তিশালী প্রসেসর থেকে মিলিটারি-গ্রেড স্থায়িত্ব—সব মিলিয়ে এতে রয়েছে একাধিক প্রিমিয়াম ফিচার। চলুন জেনে নেওয়া যাক ফোনটির বিস্তারিত।

মোটোরোলা আপাতত এই স্মার্টফোনটি ব্রাজিলের বাজারে লঞ্চ করেছে। পরে অন্যান্য দেশে এটি Moto G87 নামে বাজারে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ফোনটির ফিচার এমন যে এটি সরাসরি প্রিমিয়াম স্মার্টফোনগুলির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারে। দামের কথা বললে, ৮GB RAM + ২৫৬GB স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টটির দাম রাখা হয়েছে প্রায় ৪৭,০০০ টাকা (BRL 2,519.10)। ফোনটি ব্লু এবং গ্রাফাইট—এই দুই রঙে পাওয়া যাবে।

ক্যামেরা ছাড়াও কী কী বিশেষত্ব রয়েছে? প্রথমেই আসা যাক ডিসপ্লের কথায়। Moto G Max 5G-তে রয়েছে ৬.৮ ইঞ্চির 1.5K সুপ্রিম AMOLED ডিসপ্লে, যা ১২০Hz রিফ্রেশ রেট সমর্থন করে। এই স্ক্রিনের অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য হল ৫,০০০ নিটস পিক ব্রাইটনেস, ফলে তীব্র রোদেও স্ক্রিন স্পষ্ট দেখা যাবে। ডিসপ্লে সুরক্ষার জন্য এতে Corning Gorilla Glass 7i ব্যবহার করা হয়েছে।

ফোনটির আরেকটি বড় আকর্ষণ এর শক্তপোক্ত ডিজাইন। ডিভাইসটি IP66, IP68 এবং IP69 রেটিং পেয়েছে। অর্থাৎ ধুলো এবং জলের তীব্র ছিটেফোঁটাতেও ফোনের কোনও সমস্যা হবে না। পাশাপাশি এটি MIL-STD-810H মিলিটারি-গ্রেড সার্টিফিকেশন পেয়েছে, যা কঠিন পরিবেশেও ডিভাইসকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে।

পারফরম্যান্সের ক্ষেত্রেও ফোনটি যথেষ্ট শক্তিশালী। এতে রয়েছে MediaTek Dimensity 6400 প্রসেসর, যা ভারী গেমিং এবং মাল্টিটাস্কিং অনায়াসে সামলাতে পারে। ফোনে ৮GB RAM দেওয়া হয়েছে, যা ভার্চুয়াল RAM ফিচারের মাধ্যমে ১৬GB পর্যন্ত বাড়ানো যায়। এটি Android 16-ভিত্তিক Hello UI-এ চলে, যা ব্যবহারকারীদের মসৃণ ও পরিষ্কার অভিজ্ঞতা দেয়।

ক্যামেরা ও ব্যাটারিও যথেষ্ট শক্তিশালী: যদিও সংস্থা মূলত ক্যামেরাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে, তবে অন্যান্য ক্যামেরা সেন্সরও বেশ উন্নত। পিছনে রয়েছে ২০০MP (২২০MP এনহ্যান্সমেন্ট) প্রধান ক্যামেরা, যার সঙ্গে OIS (Optical Image Stabilization) সাপোর্ট রয়েছে। ফলে স্থির ও পরিষ্কার ছবি তোলা সম্ভব। এছাড়াও রয়েছে ৮MP আল্ট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা। সেলফি এবং ভিডিও কলের জন্য সামনে দেওয়া হয়েছে ৩২MP ফ্রন্ট ক্যামেরা, যার মাধ্যমে 2K ভিডিও রেকর্ডিং করা যায়।

পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য ফোনটিতে রয়েছে ৫,২০০mAh ব্যাটারি, যা ৩৩W TurboPower ফাস্ট চার্জিং সমর্থন করে। সংস্থার দাবি, একবার সম্পূর্ণ চার্জ দিলে ফোনটি ৩৫ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে।

(Feed Source: news18.com)