)
Ayatollah Ali Khamenei To Be Laid To Rest: ইসরাইল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত ইরানের প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেইনির শেষবিদায়ের দিন নির্ধারিত হল। তাঁর জানাজা ও দাফনকে কেন্দ্র করে বারবার বিভিন্ন সময়ে একাধিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ইরান। এবার নির্দিষ্ট দিনতারিখ জানা গেল।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ইরানের সুপ্রিম লিডার নিহত আয়াতোল্লা আলি খোমেইনি (Iran’s slain Supreme Leader Ayatollah Ali Khamenei)-র দাফন কবে, এবার সেকথা নিশ্চিত করে জানানো হল। কবে? কোথায়? জানা গিয়েছে, অনেকবার ঘোষণা ও দিন পরিবর্তনের পরে পবিত্র শহর মাশহাদের (holy city of Mashhad) ইমাম রেজার পবিত্র স্মৃতিস্থলে (shrine of Imam Reza) সমাহিত করা হবে ইরানের কিংবদন্তি এই নেতাকে।
খামেইনির শেষ বিদায়
ইসরাইল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত ইরানের প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেইনির শেষ বিদায়, জানাজা ও দাফনকে কেন্দ্র করে বারবার বিভিন্ন সময়ে একাধিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ইরান। খামেনিইর রচনাবলি সংরক্ষণ ও প্রকাশনা বিষয়ক দফতর এইসব তথ্য জানিয়েছে। কী খবর?
কবে, কোথায়?
ঘোষণা বলছে, আগামী ৪ ও ৫ জুলাই ইমাম খোমেইনি মোসাল্লাতে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৬ জুলাই তেহরানে তার জানাজার যাত্রা বের করা হবে। এ ছাড়া ৭ জুলাই কওম এবং ৯ জুলাই মাশহাদেও পৃথক জানাজার যাত্রার আয়োজনও করা হয়েছে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খামেনিকে ইমাম রেজার মাজারে দাফন করা হবে। ওই বিবৃতিতেই ইরানের জনগণ, বিশ্বের স্বাধীনচেতা মানুষ, ইসলাম অনুসারী এবং ইরানে আগ্রহী সকলকে এসব অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
খামেইনির দাফন
পশ্চিম এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী নেতা, দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা নেতা। বছরছিয়াশির নিহত আয়াতুল্লাহ আলি খামেইনির শেষবিদায় উপলক্ষে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় জানাজা ও শোক পালনের পরিকল্পনা আগেই করেছিল ইরান। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধের প্রথম দিনেই তেহরানে নিজের বাড়িতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় নিহত হন তিনি। প্রায় ৩৭ বছর ধরে ইসলামিক রিপাবলিকের নেতৃত্বে থাকা খামেইনির দাফন অনুষ্ঠানটি জুনের মাঝামাঝি সময়ে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে আগে জানা গিয়েছিল। যুদ্ধের কারণে এর আগে ৪ মার্চের নির্ধারিত রাষ্ট্রীয় জানাজা স্থগিত করা হয়েছিল। জানা গিয়েছিল, জানাজার অনুষ্ঠানগুলি তেহরান ছাড়াও পবিত্র শহর কোম এবং মাশহাদে অনুষ্ঠিত হবে। খামেনিইকে তাঁর জন্মস্থান মাশহাদেই সমাহিত করা হবে।
পবিত্র তীর্থস্থান মাশহাদ
মাশহাদ শহরটির সঙ্গে খামেইনি পরিবারের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ১৯৩৯ সালে এই শহরেই জন্মেছিলেন আলি খামেইনি। তাঁর বাবা, শিয়া ইসলামের ধর্মগুরু ছিলেন। তাঁকেও মাশহাদের ইমাম রেজা দরগার কাছেই সমাধিস্থ করা হয়েছিল। ইরানের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত এই মাশহাদ শহর রাজাভি খোরাসান প্রদেশের রাজধানী। একসময় আফশারিদ সাম্রাজ্যের আমলেও মাশহাদ রাজধানী ছিল। মাশহাদ শুধু ইরানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহরই নয়, এটি শিয়া মুসলিমদের কাছে অন্যতম পবিত্র তীর্থস্থানও। এই শহরেই রয়েছে ইমাম রেজা মাজার, যেখানে শিয়া ইসলামের অষ্টম ইমাম আলি আল-রিদাকে সমাধিস্থ করা হয়েছিল। প্রতি বছর প্রায় ৩ কোটি তীর্থযাত্রী এই মাজারে আসেন।
(Feed Source: zeenews.com)
