Khan Sir Case Update: খান স্যার গুলি-কাণ্ডে আরও বাড়ল রহস্য! নেপালের হোটেলে পড়ে অভিযুক্ত প্রিন্স যাদবের নিথর দেহ

Khan Sir Case Update: খান স্যার গুলি-কাণ্ডে আরও বাড়ল রহস্য! নেপালের হোটেলে পড়ে অভিযুক্ত প্রিন্স যাদবের নিথর দেহ

 

রিপোর্ট বলছে, নেপালের হোটেলে রহস্যজনক ভাবে প্রিন্স যাদবকে মৃত অবস্থায় পাওয়ার গিয়েছে৷ স্থানীয় কর্তৃপক্ষ মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তদন্ত করছেন বলে জানা গিয়েছে৷ কারণ, ঠিক কীভাবে প্রিন্স যাদবের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়৷

আইনজীবীর বক্তব্যখান স্যর এবং রশন আনন্দ ক্যাম্পের আইনি জট পরবর্তী ঘটনাক্রমের মাঝে প্রিন্স যাদবের এই মৃত্যু নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়৷ রশনের আইনজীবী নিরঞ্জন কুমার সিং-এর দাবি, যেভাবে গোটা বিষয়টি ঘিরে একের পর এক ঘটনা সামনে আসছে, তা অত্যন্ত সন্দেহজনক৷

আইনজীবী বলেন, ‘‘আমরা আজ সকালে হঠাৎ একটা ফোন পাই৷ সেই ফোনেই আমাদের এই ঘটনা (প্রিন্স যাদবের মৃত্যু) সম্পর্কে জানানো হয়৷ এটা একটা ভয়ঙ্কর ঘটনা৷ এর চেয়ে বড় দুর্ভোগ বা বিধ্বংসী আঘাত আর কীই বা হতে পারে না। এক ছেলে জেলে, আর অন্যজন এমন রহস্যজনক পরিস্থিতিতে মারা গেছে৷’’

আইনজীবী আরও দাবি, মৃত্যু, এফআইআর দায়ের, লোকজনের দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া, গ্রেফতারি, আদালতের অন্তর্বর্তিকালীন স্বস্তি প্রদান এবং পরবর্তীকালে মৃত্যুসহ এই যে ঘটনাক্রম, তা এক বৃহত্তর যোগসাজশের দিকে ইঙ্গিত করে। তবে, তিনি স্বীকার করেছেন যে, বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন।

খান কোচিং সেন্টারের বাইরে পুলিশি প্রহরাপ্রিন্স যাদবের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পরে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পটনার খান গ্লোবাল স্টাডিজের বাইরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। রওশন গোষ্ঠীর সমর্থক ও শিক্ষার্থীদের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কায় কোচিং ইনস্টিটিউটটির বাইরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আইনজীবী কোচিং সেন্টারে ভাঙচুরের ঘটনার কথা উল্লেখ করে দাবি করেন যে, সিসিটিভি ফুটেজ এবং গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে ইতিমধ্যেই ঘটনাটির ঘটনাক্রম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেছেন যে, তদন্ত চলাকালে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অবশেষে খান স্যারের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছে। একদিকে নেপাল কর্তৃপক্ষ যেমন প্রিন্স যাদবের মৃত্যুর তদন্ত করছে, অন্যদিকে, কোচিং সেন্টার বিতর্কের সঙ্গে মৃত ব্যক্তির সংযোগ থাকায় বিহারের ঘটনাপ্রবাহের উপরে কড়া নজর রাখা হচ্ছে।

খান স্যারের কোচিং সেন্টারে বিতর্ক ও আইনি পদক্ষেপ

কোচিংয়ে হামলা ও গুলি: পটনার মুসাল্লাপুরা এলাকায় খান গ্লোবাল স্টাডিজের সামনে ভাঙচুর ও শূন্যে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। এক নিরাপত্তারক্ষী আহতও হন।

এফআইআর: এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ খান স্যার-সহ তিনজনের বিরুদ্ধে প্ররোচনা এবং অস্ত্র আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে।

মানহানির মামলা: সংবাদ পরিবেশনের প্রেক্ষাপটে এক সাংবাদিককে নিয়ে মন্তব্য করার জেরে তাঁর বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে মানহানির মামলাও দায়ের হয়।

আইনি স্বস্তি: খান স্যার আগাম জামিনের আবেদন করলে পটনা সিভিল কোর্ট তাঁকে গ্রেফতারি থেকে সাময়িক স্থগিতাদেশ দেয়।

(Feed Source: news18.com)