)
Nationalist Citizens Party of India:: নির্বাচন কমিশনে নথিভুক্ত হলেও এখনও স্বীকৃত রাজনৈতিক দল নয়। ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দুটি আসন লড়েছিল NCPI তবে জিততে পারেনি একটিতেও।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: তৃণমূল ভেঙে খান খান। ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা NCPI-তে যোগ দিচ্ছেন কাকলি ঘোষদস্তিদার-সহ দলের বিদ্রোহী সাংসদরা। এ আবার কোন দল? তা নিয়ে এখন জোর আলোচনা চলছে।
ন্যাশনালিস্ট সিটিজ়েন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া। সংক্ষেপে এনসিপিআই। নির্বাচনের কমিশনের তথ্য় অনুযায়ী, ২০২৩ সালে এই দলটি RUPP(Registered Unorganised Poltical Party)-র তালিকাভুক্ত হয়। অর্থাত্ দলটি এখনও কমিশন স্বীকৃত নয়। ২০২৩ সালে ত্রিপুরায় বিধানসভা নির্বাচনে কলমের নিব এবং সাতটি রশ্মি প্রতীকে দুটি আসনে প্রতিদ্বিন্দ্বিতা করে এনসিপিআই। কৈলাসহর এবং চউমানু আসনে প্রার্থী দিয়েছিল তারা। দুটির কোনটিতেই জেতেনি।
তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের হাতে ধরে এবার বাংলায় আত্মপ্রকাশ ঘটতে চলেছে এনসিপিআইয়ের। আজ, শনিবারই দিল্লিতে গিয়ে লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করেন কাকলি ঘোষদস্তিদার, শতাব্দী রায়, মালা রায়রা। বৈঠক শেষে কাকলি বলেন, ‘আমরা স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে চিঠি দিয়েছি। আমরা দুই তৃতীয়াংশের বেশি রয়েছি। আমরা ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে মিশে যেতে চাইছি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে কাজ করব আমরা’। জানান, আমরা ২০ জন সাংসদ আলাদা বসার দাবি করেছি’।
এদিকে বিদ্রোহী আগেই স্পিকারের বাড়িতে পৌঁছন তৃণমূলের দুই সাংসদ কীর্তি আজাদ ও সাগরিকা ঘোষ। গত ১০ তারিখ লোকসভার স্পিকারকে চিঠি দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই চিঠিই স্পিকারের বাড়িতে জমা দিয়ে আসেন তাঁরা। চিঠিতে উল্লেখ, ‘সংবিধানে দল ভেঙে আলাদা গ্রুপ করার কোন বন্দোবস্ত নেই। সংবিধান অনুযায়ী দলের সঙ্গেই থাকতে হয়। এইভাবে তৃণমূল কংগ্রেসকে ভাঙা যাবে না’।
(Feed Source: zeenews.com)
