)
Mosquito-borne Usutu virus: বিজ্ঞানীরা বলছেন,”কিছু কিছু আশঙ্কা আমরা যা করেছিলাম বা ভেবেছিলাম, তার চেয়ে অনেক আগেই চলে আসছে। এর জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকা দরকার।”
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: আফ্রিকান মশাবাহিত উসুতু ভাইরাসের প্রথমবার খোঁজ মিলল স্কটল্যান্ডে। স্কটল্যান্ডের ব্ল্যাকবার্ড নামে এক ধরনের পাখির শরীরে প্রথমবার শনাক্ত হয়েছে উসুতু ভাইরাস (Usutu virus)। যার জেরে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে মশাবাহিত রোগের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি বাড়ছে বলে উদ্বেগ বিজ্ঞানীদের।
কারণ, স্কটল্যান্ডের আবহাওয়া বেশ ঠান্ডা। সেখানে মশাবাহিত উসুতু ভাইরাস “স্তম্ভিত করার মতো”, বলছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা বলছেন,”কিছু কিছু আশঙ্কা আমরা যা করেছিলাম বা ভেবেছিলাম, তার চেয়ে অনেক আগেই চলে আসছে। এর জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকা দরকার।” উসুতু ভাইরাসের প্রধান বাহক—বাদামী-ধূসর রঙের কিউলেক্স পিপিয়েনস (culex pipiens) মশা।
গ্লাসগোর দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত আইল অফ আরান (Isle of Arran)-এর বাসিন্দারা প্রথমবার লক্ষ্য করেন যে, ব্ল্যাকবার্ড পাখিগুলির অদ্ভুত উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হচ্ছে। পাখিগুলির ঘাড় বেঁকে গিয়েছিল। দুর্বল হয়ে পড়ছিল। নিজেরা খাবার খেতেও পারছিল না। এরপরই স্থানীয় এক পশুচিকিৎসক মৃত পাখিগুলির দেহ পরীক্ষার জন্য পাঠান। এবং তাতেই উসুতু ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়।
দক্ষিণ আফ্রিকার একটি নদীর নামানুসারে এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়। ১৯৫৯ সালে যে নদীর কাছাকাছি প্রথম এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছিল, তার নামেই এই মশাবাহিত ভাইরাসের নাম। চলতি শতাব্দীর শুরুর দিকে উসুতু ইউরোপে প্রবেশ করলেও, এত উত্তরে ও ঠান্ডায় স্কটল্যান্ড পর্যন্ত কখনওই পৌঁছায়নি। কিন্তু এবার সেই স্কটল্যান্ডেও উসুতু ভাইরাস!
যে কিউলেক্স পিপিয়েনস মশা উসুতু বহন করে, তারা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি উষ্ণ আবহাওয়ায় সবচেয়ে বেশি সক্রিয় এবং সংখ্যায় বৃদ্ধি পায়। ফলে স্কটল্যান্ডের মতো ঠান্ডা দেশে উসুতু ভাইরাসের উপস্থিতি জলবায়ু পরিবর্তনের কালো দিকটিই তুলে ধরছে। যে বিষয়ে আমরা এখনই সতর্ক না হলে সামনে সমূহ বিপদ।
(Feed Source: zeenews.com)
