Debolinaa Nandy: মদে চুর থাকে পাইলট স্বামী, প্রবাহের ফ্লাইট ওড়ানো বন্ধ করে দেওয়া হোক, বাতিল করা হোক পাসপোর্টও, চাইছেন দেবলীনা নন্দী

Debolinaa Nandy: মদে চুর থাকে পাইলট স্বামী, প্রবাহের ফ্লাইট ওড়ানো বন্ধ করে দেওয়া হোক, বাতিল করা হোক পাসপোর্টও, চাইছেন দেবলীনা নন্দী

সম্প্রতি নিজের পক্ষের যুক্তি তুলে ধরেছেন প্রবাহ নন্দী। তার ঠিক ছয় দিনের মাথায় দেবলীনা এবং তাঁর আইনি পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করলেন।

স্বামী বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ দেবলীনা নন্দীর

বারুইপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বাতিল করা হোক প্রবাহের পাসপোর্ট, প্রবাহের ফ্লাইট ওড়ানোর আপত্তি দেবলীনার। গায়িকা দেবলীনা নন্দী এবং তাঁর পাইলট স্বামী প্রবাহ নন্দীর দাম্পত্য কলহ এবার পুরোদস্তুর আইনি লড়াইয়ের রূপ নিল। স্বামীর সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারের পাল্টা জবাব দিতে এবার দুই আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে বারুইপুর আদালতের দ্বারস্থ হলেন দেবলীনা। একই সঙ্গে দুই আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে এক বিশেষ সাংবাদিক বৈঠক ডেকে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন দেবলীনা।

কী হয়েছিল দেবলীনার সঙ্গে? চলতি বছরের শুরুতে ঘুমের ওষুধ খেয়ে দেবলীনার নিজের জীবনকে শেষ করার চেষ্টার ঘটনার পর থেকেই এই তারকা দম্পতির বিবাদ প্রকাশ্যে আসে। সাংবাদিক বৈঠকে দেবলীনার আইনজীবীরা জানান, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে বিয়ে হয় দেবলীনা নন্দী ও প্রবাহ নন্দীর। বিয়ের পর থেকেই গায়িকার ওপর তীব্র মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার শুরু হয়।

২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে থাইল্যান্ডে হানিমুনে গিয়ে মদ্যপ অবস্থায় দেবলীনাকে মারাত্মক মারধর করেন প্রবাহ। আইনজীবীদের দাবি, প্রবাহ নিয়মিত মদ্যপান ও মাদক সেবন করতেন। প্রবাহ পেশায় পাইলট হওয়ায় মদ্যপানের নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকত। পরের দিন সকালে ফ্লাইট থাকলে সে আগের দিন সকাল থেকেই মদ্যপান শুরু করে দিত। মদ্যপ অবস্থায় হাত মোচড়ানো বা কনুই দিয়ে ঠেলে দেওয়ার মতো ঘটনা হামেশাই ঘটত। শুধু তাই নয়, নিউটাউনের ভাড়া বাড়ির ৬ তলার বারান্দা থেকে দেবলীনাকে বহুবার নীচে ঠেলে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা পর্যন্ত করেছে সে।দেবলীনার ওপর চলা অত্যাচারের প্রমাণ হিসেবে বেশ কিছু অডিও ও ভিডিও ক্লিপ এবং ছবিতে মেকআপ দিয়ে ঢাকা কালশিটে দাগের প্রমাণও আদালতে পেশ করা হবে।

দেবলীনার অভিযোগ নির্যাতনের আঙুল উঠেছে দেবলীনার শ্বশুর-শাশুড়ির বিরুদ্ধেও। গার্হস্থ্য হিংসা মামলায় তাঁদেরও বিবাদী করা হয়েছে। আইনজীবীদের অভিযোগ, প্রবাহর অনুপস্থিতিতে তাঁর বাবা-মা দেবলীনাকে চরম হেনস্থা করতেন এবং তাঁর সঙ্গে ‘ব্যাড টাচ’ বা অসদাচরণের মতো ঘটনাও ঘটেছে। পাশাপাশি দেবলীনার মায়ের গায়ের রং তুলে প্রতিনিয়ত গালিগালাজ ও অপমান করা হত এবং দেবলীনাকে তাঁর নিজের পরিবার থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা চলত।

প্রবাহ যাতে আইনি প্রক্রিয়া এড়াতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সেজন্য আদালত যাতে তাঁর পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করে, সেই প্রক্রিয়া শুরু করেছেন আইনজীবীরা। একই সঙ্গে বিমান সংস্থার কাছেও আবেদন জানানো হচ্ছে যাতে উড়ানের সময় শত শত যাত্রীর সুরক্ষার স্বার্থে এমন একজন অভিযুক্তকে বিমান চালাতে না দেওয়া হয়।