
কলকাতা: অভিষেক নামার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে বিজেপি-তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি ! অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডিম মারার পরিকল্পনা, অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের। বাধা তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। মূলত এদিন দিল্লিতে স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে কলকাতায় ফিরে আসার কথা অভিষেকের। আর আগে থেকেই কলকাতা বিমানবন্দরে সে জন্য উপস্থিত ছিল তাঁরা , কিন্তু তার আগেই ঘটল এই ঘটনা।
দলীয় সাংসদদের মাধ্যমে চিঠি দিয়েছিলেন আগেই। আর শুক্রবার দিল্লিতে স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে বৈঠক করলেন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। তৃণমূল সাংসদ ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায় বলেন, আমি লোকসভার তৃণমূলের দলনেতা হিসেবে পৃথকভাবে ২০টা ডিসকোয়ালিফিকেশন পিটিশন আজকে মুভ করেছি। যারা যারা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক চিহ্নে নির্বাচিত হয়ে, NCPI নামক একটা দল যার কথা কোনওদিন আজ পর্যন্ত কেউ শোনেনি। সেই দলে যারা নাম লিখিয়েছে, বিজেপির থেকে অর্থের বিনিময়ে, এবং নিজেদের পিঠ বাঁচানোর কারণে, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আমরা ডিসকোয়ালিফিকেশন পিটিশন মুভ করেছি।
গত রবিবার তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে NCPI বা ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে মিশে যাওয়ার কথা জানিয়ে চিঠি দেন। তার কয়েকঘণ্টা আগেই তৃণমূলের লোকসভার নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের চিঠি নিয়ে লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে যান তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ ও সাগরিকা ঘোষ। বৈঠকে ‘বিদ্রোহী’ সাংসদরা , স্পিকারকে চিঠি অভিষেকের। যে চিঠি তাঁরা পৌঁছে দেন তাতে বলা হয়,তৃণমূল একটি অখণ্ড রাজনৈতিক দল। আইনতও তৃণমূল একটিই। তৃণমূলের সংসদীয় দলের মধ্যে কোনও পৃথক গোষ্ঠীকে যাতে স্বীকৃতি না দেওয়া হয়। তৃণমূলের বক্তব্য না শুনে, কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না -স্পিকারকে চিঠি দিয়ে আর্জি জানান তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
(Feed Source: abplive.com)
