অপরাধীকে হেফাজতে নিয়ে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। হত্যার কারণ হিসেবে পারিবারিক বিবাদকে দায়ী করা হচ্ছে।
ঘুমন্ত দাদা-বৌদি-ভাগ্নেকে ধারাল অস্ত্রের কোপ
গোরখপুর: উত্তরপ্রদেশের গোরখপুর জেলায় একই পরিবারের তিন সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হল। ঘটনায় তুমুল উত্তজনা ছড়ায় এলাকায়৷ ছোট ভাই ধারাল অস্ত্র দিয়ে তার বড় ভাই, স্ত্রী ও ছেলেকে হত্যা করেছে। জানা গিয়েছে, পারিবারিক বিবাদের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত নাবালক ভাইকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এসএসপি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন। মৃতদেহগুলি হেফাজতে নিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁশগাঁও থানার অন্তর্গত বালুয়া গ্রামে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, এক ১৬ বছর বয়সী কিশোর তাঁর দাদা, বৌদি এবং ভাগ্নেকে হত্যা করেছে। খবর পেয়ে এসএসপি, দক্ষিণাঞ্চলের পুলিশ সুপার এবং অভিযুক্তসহ একটি পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত কিশোরকে আটক করে এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রটি উদ্ধার করে। পুলিশের তদন্তে জানা গিয়েছে, পারিবারিক বিবাদের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন অমিত গুপ্ত, তাঁর স্ত্রী রঞ্জনা গুপ্ত এবং তিন বছর বয়সী রেয়াংশ গুপ্ত। অমিত গুপ্তের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে বান্সগাঁও পুলিশ একটি এফআইআর দায়ের করেছে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে। পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।
এসপি (সাউথ) দীনেশ পুরি জানান, রবিবার রাত প্রায় ৩টে নাগাদ বালুয়া গ্রামে একই পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যার খবর পাওয়া যায়। তদন্তে জানা গিয়েছে, অমিত গুপ্ত, তাঁর স্ত্রী রঞ্জনা এবং ছেলে রেয়াংশ গুপ্ত রাতে একই ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। তখন তাদের ১৬ বছর বয়সী ছোট ভাই ধারাল অস্ত্র দিয়ে তাদের হত্যা করে। নিহতদের বাবার কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা তিনটি মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।
(Feed Source: news18.com)