)
Venezuela Earthquake: ভারতীয় সময় বৃহস্পতিবার সকালে ওই ভূমিকম্প কেঁপে ওঠে গোটা দেশ। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক সংস্থা USGS-এর মতে, ওই ভূমিকম্পে ১০,০০০-এর বেশি মানুষের মারা যাওয়ার আশঙ্কা ৪৪% এবং ১ লক্ষের বেশি মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা ৩০% রয়েছে
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: জোড়া কম্পনে কেঁপে উঠল ভেনেজুয়েলার উপকুলবর্তী এলাকা। বুধবার রাতে মাত্র ৩৯ মিনিটের ব্যবধানে পরপর দুটি ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল একের পর এক শহর। একটি কম্পনের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭.১ এবং অন্যটির মাত্রা ছিল ৭.৫। এর পাশাপাশি ছিল ২০টি আফচার শক। এরই জেরে প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত রাজধানী কারাকাস-সহ একের পর এক শহর। একেবারে হরর মুভির মতো দৃশ্য চারদিকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি হিসেব মতে মৃতের সংখ্যা ১০,০০০ ছাড়ালেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। দুটি ভূমিকম্পেরই উৎপত্তিস্থল ছিল রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ২৯০ কিলোমিটার পশ্চিমে।
বুধবার গভীর রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত ভাষণে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ডেলসি রদ্রিগেজ বলেন, এই ভূমিকম্পের কারণে বেশ কয়েকটি রাজ্যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ঘরবাড়ি ও ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, আহত বা নিহতের কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা তিনি উল্লেখ করেননি।
প্রেসিডেন্ট রডরিগেজ জানান, দেশের প্রধান বিমানবন্দর সিমন বলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং যার ফলে এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আগামী বেশ কয়েক দিনের জন্য স্কুল-কলেজের ক্লাসও বাতিল করা হচ্ছে। আমরা আমাদের জনগণকে শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ করছি। দেশের সমস্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আহতদের সাহায্য করার জন্যহাসপাতালে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
ভারতীয় সময় বৃহস্পতিবার সকালে ওই ভূমিকম্প কেঁপে ওঠে গোটা দেশ। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক সংস্থা USGS-এর মতে, ওই ভূমিকম্পে ১০,০০০-এর বেশি মানুষের মারা যাওয়ার আশঙ্কা ৪৪% এবং ১ লক্ষের বেশি মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা ৩০% রয়েছে।
রাজধানী কারাকাসসহ বেশ কয়েকটি শহরের ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ডেলসি রদ্রিগেজ দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে নিহতের কোনো সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।
মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভে সংস্থা USGS-র মতে কম্পনের এর উৎপত্তিস্থল ছিল দেশের ক্যারিবিয়ান উপকূলের ‘মরন’-এর পশ্চিমে। এটি রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ১৬৮ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। এই ভূমিকম্পটির উত্পত্তিস্থলের গভীরতা ছিল ২২ কিলোমিটার।
গত ১২৬ বছরে এরকম শক্তিশালী ভূমিকম্প আগে হয়নি।। রাজধানী কারাকাসে দুলতে থাকা ঘরবাড়ি থেকে মানুষজন দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসেন। পুরো দেয়াল ধসে পড়ে ঘরের ভেতরের আসবাবপত্র রাস্তা থেকে দেখা যায়। রাজধানীর দুটি এলাকা, যেখানে সাধারণত রেস্তোরাঁ এবং অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মানুষের বেশ ভিড় থাকে, সেখানে ধুলোর বিশালাকার কুণ্ডলী উড়তে দেখা গেছে।
(Feed Source: zeenews.com)
