)
Messi Case: ‘জুঁই বিশ্বাস মাঠে ঢোকার কোনও কার্ডই ছিল না। তারপরেও মাঠে ঢুকেছিলেন এবং ছবি তুলেছিলেন।
অর্কদীপ্ত মুখোপাধ্যায়: মেসিকাণ্ডে নয়া মোড়। ‘অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও কীভাব মাঠে ঢুকেছিলেন’? অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপের স্ত্রী জুঁই বিশ্বাসের কাছে এবার ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করলেন শতদ্রু দত্ত। পাঠালেন আইনি নোটিশ।
মেসিকাণ্ডে বিপাকে রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তাঁর বিরুদ্ধে বটেই, জুঁইয়ের বিরুদ্ধেও কিন্তু FIR করেছেন শতদ্রু। তাঁর দাবি, ‘জুঁই বিশ্বাস মাঠে ঢোকার কোনও কার্ডই ছিল না। তারপরেও মাঠে ঢুকেছিলেন এবং ছবি তুলেছিলেন। জানিয়েছিলেন,’অরূপ ও জুঁইয়ের সঙ্গে আরও অনেকেই মাঠে ঢুকেছিলেন। তাঁদের সবাইকে শনাক্ত করা হচ্ছে। সবার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে’।
এদিকে মেসিকাণ্ডে FIR দায়ের হওয়ার পর কার্যত গা-ঢাকা দিয়েছিলেন অরূপ। প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছিল না তাঁকে। শেষপর্যন্ত গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দেন একদা মমতা ঘনিষ্ঠ এই তৃণমূল। ঘটনাচক্রে, সেদিন বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করে স্বয়ং মেসি। এরপর ফের হাজিরা দেন সোমবার। এর আগে, মেসিকাণ্ডে প্রথমবার থানার হাজিরা দেওয়ার পর ডিম থেরাপি’র মুখে পড়তে হয় অরূপকে। আইনজীবীর চেম্বারে লুকিয়েও শেষরক্ষা হয়নি। পুলিস বার করতেই তাঁকে লক্ষ্য শুরু হয়ে যায় ডিম-বৃষ্টি!
কী ঘটেছিল সেই দিন?
২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর। কলকাতার ফুটবল পাগল দর্শকদের জন্য দিনটি ছিল স্বপ্নের মতো। লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজ ও রড্রিগো দি’পল পা রেখেছিলেন তিলোত্তমায়। কিন্তু যুবভারতীর ৬০ হাজার দর্শকের স্বপ্ন নিমেষেই ধূলিসাৎ হয়ে যায়। অভিযোগ, মেসি মাঠে প্রবেশ করা মাত্রই তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও তাঁর অনুগামীরা প্রিয় ফুটবলারকে কার্যত ‘ছেঁকে’ ধরেন। শতদ্রু দত্তের দাবি, দর্শকদের দেখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য বারবার সরে যেতে অনুরোধ করা হলেও কেউ কর্ণপাত করেননি। যার ফলে হাজার হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কাটা দর্শকরা এক ঝলকও মেসিকে দেখতে পাননি। এর পরেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় যুবভারতী। ক্ষুব্ধ জনতা চেয়ার ভাঙা থেকে শুরু করে মাঠের কার্পেট তুলে নিয়ে যাওয়ার মতো নজিরবিহীন তাণ্ডব চালায়। সেদিন রাতেই কলকাতা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয় অনুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা শতদ্রুকে। ৩৮ দিন জেল খাটতে হয়েছিল তাঁকে।
(Feed Source: zeenews.com)
