)
Karachi Attack: সন্ত্রাসী দল টিটিপি-র একটি গ্রুপ এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রী ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি দ্রুত একটি তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলেছেন। গত কয়েক বছর ধরে পাকিস্তানে এমন হামলা অনেক বেড়ে গিয়েছে।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: পাকিস্তানের করাচিতে তীব্র আতঙ্ক। ভয়ংকর বিস্ফোরণ, ভারী গোলাগুলিতে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। প্রথমে করাচিতে বিস্ফোরণ হয়। এরপর মোসামিয়াত চৌরঙ্গি এলাকায় অনেকক্ষণ ধরে গুলির শব্দ শোনা যায়। সশস্ত্র বাহিনীর লোকেরা চারপাশের রাস্তাগুলো ঘিরে ফেলে।
জানা গিয়েছে, বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ি নিয়ে জঙ্গিরা সিন্ধু সেনা প্রধান কার্যালয়ে সজোরে ধাক্কা মারে। এই ঘটনার পর নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের গোলাবর্ষণ শুরু হয়। করাচির গুলশান-ই-জওহর এলাকায় সেনাদের এই ঘাঁটিতে হামলায় তাদের অন্তত চার সদস্য মারা যান।
এরপর মেটিওরোলজিক্যাল চৌরঙ্গি ও ইউনিভার্সিটি রোড এলাকায় আরও একটি বিস্ফোরণ হয় এবং প্রচণ্ড গোলাগুলি শুরু হয়। পাকিস্তানের এক পত্রিকা থেকে জানা যায়, এই খবর পাওয়ার পর পরই দ্রুত সেখানে পুলিসের বিশেষ বাহিনী ও কমান্ডোদের পাঠানো হয়। সেনাবাহিনী ও নিরাপত্তা বাহিনীর পালটা অভিযানে মোট ছয় জঙ্গি নিহত হয়। এ ছাড়া আহত অবস্থায় আরও এক জঙ্গিকে জীবিত ধরে ফেলা হয়।
নিষিদ্ধ জঙ্গিগোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর একটি দল ‘জামায়াত-উল-আহরার’ এই হামলার দায়িত্ব নিয়েছে। তারা জানিয়েছে, ‘খুলাফা-ই-রাশিদীন ইশতিশহাদী ব্রিগেড’ নামের একটি আত্মঘাতী দল এই হামলা চালিয়েছে।
সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রী সৈয়দ মুরাদ আলী শাহ এই বিস্ফোরণ ও গুলির ঘটনার কথা জানতে পেরে তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি দ্রুত একটি তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘পুলিসের এখনই ঘটনাস্থলে যাওয়া উচিত। তারা বিস্ফোরণটি কীভাবে হল তা খুঁজে বের করবে এবং সব ধরনের জরুরি ব্যবস্থা নেবে।’ গত কয়েক বছর ধরে পাকিস্তানে পুলিস ও সেনাদের ওপর এমন জঙ্গি হামলার ঘটনা অনেক বেড়ে গিয়েছে। সরকারের মতে, এই ধরনের বেশিরভাগ হামলার পেছনে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এবং তাদের সহযোগী দলগুলোই দায়ী।
(Feed Source: zeenews.com)
