)
PoK Protest: পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ওই আন্দোলনে নেতৃত্ব যারা দিচ্ছেন তাদের মধ্যে চেনা মুখ হলেন মানবাধিকার কর্মী সরদার আমান খান
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: আসলে কাশ্মীরের ওই অংশটি যে পাকিস্তান দখল করে রেখেছে তা ফের একবার স্পষ্ট করে দিলেন পাক অধিকৃত নেতারা। অর্থাত্ পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে আওয়াজ ওঠালেন সেখানকার মানুষজনই। মঙ্গলবার পাক সরকারের বিরুদ্ধে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মানুষের বিক্ষোভ ২২ দিনে পড়ল। রাওয়ালকোট উদগাহ ময়দানের সেই বিক্ষোভে নেতারা দাবি করলেন পাক অধিকৃত কাশ্মীর পাকিস্তানের নয়। পাক সরকার সেই দাবিতে আটকে থাকলে তারা ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরাল করবেন।
পাকিস্তানের অপশাসন, আর্থিক সংকট, মূল্যবৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এই বিক্ষোভ বা আন্দোলন শুরু হয়েছিল। এই আন্দোলন নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে যাতে জানাজানি না হয় তার জন্য গত ৫ জুন থেকে ওই এলাকায় ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাতেও ক্ষোভ বেড়েছে সাধারণ মানুষের।
পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ওই আন্দোলনে নেতৃত্ব যারা দিচ্ছেন তাদের মধ্যে চেনা মুখ হলেন মানবাধিকার কর্মী সরদার আমান খান। পাক সরকার রাওয়ালকোট এলাকায় ২ সপ্তাহের জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবারহের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এর পরই আন্দোলন আরও তীব্র হয়ে ওঠে। মঙ্গলবার তাঁর বক্তব্যে সরদার আমান খান বলেন যে,পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর পাকিস্তানের অংশ নয়। এই অঞ্চলের মানুষ পাকিস্তানের ওপর যতটা না নির্ভরশীল,তার চেয়ে পাকিস্তানেরই এই অঞ্চলটিকে বেশি প্রয়োজন।
গত ৯ জুন থেকে নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে একটি আলাদা অবস্থান ধর্মঘট চলছে পাক অধিকত কাশ্মীরের বেশ কয়েকটি সংগঠনের। ওই বিক্ষোভ সমাবেশে আমান খান বলেন, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা যদি চলতেই থাকে তাহলে এলাকার মানুষজন সাহায্যের জন্য ভারতের দিকে হাত বাড়াতে পারে। এমনটা হলে এই এলাকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে যাবে।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েপড়া একটি ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে,পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মানুষ স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে এই অঞ্চলটি পাকিস্তানের অংশ নয়। সেখানকার বাসিন্দারা পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তারা জানিয়ে দিয়েছেন, তারা কোনও স্বৈরাচারী শাসককে মেনে নেবেন না।
উল্লেখ্য, এই আন্দোলন এখন শুধু পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরেই সীমাবদ্ধ নেই। বিদেশে বসবাসরত সমর্থকেরাও বিভিন্ন দেশে পাক দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন। নেতারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, মুজাফফরাবাদ-সহ পুরো অঞ্চল নিয়ে তাদের রাজনৈতিক লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই লড়াই চলতেই থাকবে।
(Feed Source: zeenews.com)
