Aditi Munshi Did Not Pay Bill: “সবাই মিলে খেতে গেছিলাম, তখন ও MLA, বিলের একটা টাকাও না দিয়ে বেরিয়ে গেল”, অদিতি মুন্সিকে নিয়ে কটাক্ষ সৌম্য চক্রবর্তীর

Aditi Munshi Did Not Pay Bill: “সবাই মিলে খেতে গেছিলাম, তখন ও MLA, বিলের একটা টাকাও না দিয়ে বেরিয়ে গেল”, অদিতি মুন্সিকে নিয়ে কটাক্ষ সৌম্য চক্রবর্তীর

সা রে গা মা পা-র ২০১৫-র প্রতিযোগী ছিলেন অদিতি মুন্সি৷ তাঁর সঙ্গেই সেই বছর ছিলেন সৌম্য চক্রবর্তী৷ দু’জনের খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে৷ তবে অদিতির স্বামী দেবরাজ ও অদিতির বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ ও দেবরাজের গ্রেফতারের পর অদিতিকে নিয়ে কটাক্ষ করেছেন সৌম্য৷

যে বছর অদিতি মুন্সি সা রে গা মা পায়ের প্রতিযোগী ছিলেন, সেই বছর তাঁর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় ছিলেন সৌম্য চক্রবর্তী৷ সৌম্য ২০২৫-র সা রে গা মা পা জয়ী হন৷ দু’জনের সঙ্গে যোগাযোগও রয়েছে৷ তখন থেকে এখন পর্যন্ত অদিতির সঙ্গে ভীষণ ভাল সম্পর্ক সৌম্য এবং সেই ব্যাচের সকলের৷ তবে অদিতির বেশ কিছু বিষয় নিয়ে একেবার চাঁচাছোলা ভাষায় তাঁকে কটাক্ষে করেছেন সৌম্য৷

সৌম্যর কথায় গত বছর ২০১৫-এর সা রে গা মা পায়ের প্রতিযোগীদের সঙ্গে একটি গেট টু গেদার ছিল৷ সকলে এসেছিলেন সেখানে৷ অদিতিও এসেছিলেন৷ সকলের সঙ্গে দেখা হয়৷ খাওয়া দাওয়া হয়৷ যার বিল হয়েছিল ৮ হাজার টাকা৷ অদিতি সেই সময় এমএলএ৷ অন্যরা সকলে উঠতি গায়ক৷ ফলে অনেকে ভেবেছিলেন হয়ত অদিতি বিলের টাকা মিটিয়ে দেবেন বা সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেবেন৷ কিন্তু সেই সব কিছুই করেননি তিনি৷ উল্টে একটা টাকাও না দিয়ে তিনি বেরিয়ে যান৷

এই নিয়ে অদিতিকে কটাক্ষে করতে ছাড়েননি সৌম্য৷ তিনি বলেন যে অদিতি এসে কফি খেয়ে চলে গেছিলেন, কিন্তু একটা টাকাও দেননি৷ এতে সকলেই খুব অবাক হয়েছিলেন৷ সাউথ সিটির উল্টো দিকে একটি ক্যাফেতে ঘটে এই ঘটনা৷ সৌম্য প্রশ্ন করেন, ১০০ কোটি টাকা থেকে কী ২০০০ টাকা হত না দেওয়ার জন্য?

তিনি বলেন যে অদিতি এক বিশেষ ব্যক্তির সাহায্যে সারেগামাপায়ের মঞ্চে প্রবেশ করেন৷ তারপর আর সেই ব্যক্তির সঙ্গে সেভাবে সম্পর্ক রাখেননি তিনি৷ এরপর শোয়ের এক স্ক্রিপ্ট রাইটারের সঙ্গে সম্পর্ক জড়ান কীর্তন গায়িকা৷ সেখান থেকেও নানা সুবিধা নিতেন অদিতি৷ প্রতিযোগী হিসেবে তাঁকে আলাদা করে শোয়ে গুরুত্ব দেওয়া হত৷ সৌম্য বলছেন, অদিতির জন্য আলাদা প্রোমো কার্ড হত, কিন্তু আমার তখনও হয়নি৷ পরে টানা বেশ কয়েক শোয়ে পারফর্মার অব দা ডে হওয়ায় সৌম্যর প্রোমো কার্ড তৈরি হয়৷ এই স্ক্রিপ্ট রাইটারের হাত ধরেই পরবর্তীতে দেবরাজের সঙ্গে আলাপ হয় অদিতি৷

খুব সাধারণ বাড়ির মেয়ে অদিতি মুন্সি৷ তাঁর বাবার কাপড় বা গার্মেন্টের ব্যবসা ছিল৷ বাড়ির কেউ গানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না৷ কিন্তু গান শুনতে সকলে খুব ভালবাসতেন৷ তাই বাড়িতে গান শোনার একটাা পরিবেশ ছিল৷ সব ধরনের গান শোনা হত৷ তিনি নিজে পরবর্তীতে গান নিয়ে পড়াশুনা করেন৷ ধীরে ধীরে সারেগামাপা-য়ের পর তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি৷ সেখান থেকে তৈরি হয় জনপ্রিয়তা৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও এত পরিমাণ সম্পত্তি তৈরি করা সম্ভব নয়, বলেন সৌম্য৷

সৌম্যের কথায়, মানুষের কাছে নিশর্থ ক্ষমা চাওয়া উচিৎ অদিতি৷ তাঁর মতে অদিতির জীবনের একটা ধাপ শেষ যখন হয়েছে, তখন আবার তাঁর নতুন করে শুরু করা উচিৎ৷ সৌম্য বলছেন, অদিতি অনেক প্রেম করেছেন, এবার তাঁর উচিৎ নিজেকে প্রেম করা এবং ঈশ্বরের সামনে ক্ষমা চাওয়া৷

(Feed Source: news18.com)