
বারুইপুরে কীভাবে ঘটে ওই ভয়াবহ ঘটনা!
পুলিশ বলছে, নাবালিকাকে পুকুর লাগোয়া ওই ঝুপড়িতে নিয়ে গিয়ে অকথ্য অত্যাচার চালানো হয়। ঘটনার দিন ওই এলাকার টাওয়ার লোকেশন ডাম্প করা হয়। দেখা যায়, শনিবার রাত সাড়ে ৯টা অবধি ঘটনাস্থলেই টাওয়ার লোকেশন ছিল…প্রভাস মণ্ডল, দিবাকর সর্দার, আনন্দ সর্দার, ও কবীর মোল্লার। আর তা থেকেই পুলিশ নিশ্চিত হয়ে যায়, ঘটনার সময় সেখানে ছিল এই ৪ জনই। এরপরই আলাদা আলাদা করে ৩ জনকেই ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে পুনর্নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নেয় পুলিশ। তদন্ত বলছে, নাবালিকাকে ওই ঝুপড়িতে নিয়ে যাওয়ার পরেই, শুরু হয় অত্যাচার। সেখানে নাকি আগে থেকেই উপস্থিত ছিল, দিবাকর সর্দার, আনন্দ সর্দার, ও কবীর মোল্লার।
ধর্ষণের পরেও ভয়াবহ নৃশংসতা
এখানেই শেষ হয় না নির্যাতনের। ধর্ষণের পরে মেয়েটি সেখান থেকে পালিয়ে যেতে চাইলে, পিছমোড়া করে বেঁধে ফেলা হয় মেয়েটির হাত। চিৎকার করলে নির্যাতিতার ঘাড়ে আঘাত করে অভিযুক্তরা। অত্যাচার এবং আঘাতে জ্ঞান হারায় মেয়েটি। এখানেই আরও একটি ভয়াবহ কার করে ওই অভিযুক্তরা। পুলিশ জানাচ্ছে, কিশোরী অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার পরে, তাকে বস্তায় ঢোকাতে যায় অভিযুক্তরা। কিন্তু বস্তা ছোট, এর ফলে কিশোরীকে পুরোটা বস্তায় ঢোকানো যাচ্ছিল না, ছিঁড়ে যায় সেটি। কিন্তু ওই ছোট, ছেঁড়া বস্তার মধ্যেই নির্যাতিতাকে দুমড়ে মুচড়ে ঢুকিয়ে দেয় নাবালিকাকে।
অভিযুক্তরা বুঝতেই পারেনি তখনও বেঁচে ছিল কিশোরী। পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার অপরাধের আগে দিন দশেক ধরে এলাকায় রেকি করেছিল অভিযুক্তরা। তার পরই একেবারে প্ল্যানমাফিক ঘটিয়ে ফেলে নৃশংস এই ঘটনা।
(Feed Source: abplive.com)
