
মহাকাশ সংস্থার নাসার অনুসন্ধানে অদ্ভুত ওই বস্তু
নাসা সম্প্রতি ছোট্ট হেলিকপ্টার উড়িয়েছে মঙ্গল গ্রহে। তারপর নাসার রোভার মঙ্গলের ঊজ্জ্বল ছবি পাঠিয়ে গ্রহের পরিসীমা ও ভূখণ্ড নির্ধারণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজ করতে করতেই রোভারের পাঠানো ছবিতে দেখা গিয়েছে মঙ্গলের ভূপৃষ্ঠের উপর পড়ে রয়েছে এক অদ্ভুত রকমের জিনিস। মহাকাশ সংস্থার নাসার অনুসন্ধানে ওই জিনিসটির ছবি নিয়ে আগ্রহ তুঙ্গে।

নুডলের আকারের আকর্ষণীয় টুকরো মঙ্গল গ্রহে
নাসার রোভারটি নুডলের আকারের যে আকর্ষণীয় টুকরো খুঁজে পেয়েছে মঙ্গল গ্রহে, তা রোভারের সামনের ক্যামেরা দিয়ে ধারণ করা হয়েছিল। ওই ছবি শেয়ার করে নাসা জানিয়েছে, বিজ্ঞানীরা বস্তুটির সঠিক প্রকৃতি নির্ধারণ করতে অক্ষম হয়েছে। এই ক্যামেরা সাধারণত থাকে সামনের বিপদ এড়ানোর জন্য। রোভারটি ড্রাইভ করার সময়, তার রোবটিক হাত ব্যবহার করার সময় ল্যান্ডস্কেপের উপর নজর রাখে।

নাসার মঙ্গল মিশনে আবর্জনার টুকরো হতে পারে
মহাকাশ বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, নাসার রোভারে উঠে এসেছে অনন্য আকৃতির ওই বস্তুর ছবি। নাসার মঙ্গল মিশনে তা আবর্জনার টুকরো হতে পারে। গত মাসেও নাসার পারসিভারেন্স রোভার মঙ্গলের জেজেরো ক্রেটারের মেঝাতে দুটি পাথরের মধ্যে একটি চকচকে রূপালি বস্তুর বিরল ছবি তুলেছিল। বস্তুটি পরে রোভারের নিজস্ব আবর্জনার টুকরো হিসেবে আবিষ্কৃত হয়েছিল।

রকেটচালিত জেট প্যাক ২০২১ সালে নামানো হয়েছিল
মহাকাশ বিজ্ঞানীরা আরও জানান, ওই বস্তুটি কোনও কিছুর ভগ্ন অংশ হতে পারে। কোনও যন্ত্র মঙ্গলে অবতরণের সময়ে তা পড়ে থাকতে পারে। রকেটচালিত জেট প্যাক ২০২১ সালে নামানো হয়েছিল মঙ্গলে। তারপর হালে নামানো হয়েছে হেলিকপ্টার। ওই হেলিকপ্টার মঙ্গলের আকাশো ওড়ানো হচ্ছে। বিভিন্ন প্রান্তের ছবি তোলা হচ্ছে।

নাসা রেকর্ড ২৫ বার উড়ান সম্পূর্ণ করেছে মঙ্গলে
২০২১ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠে অবতরণ করেছিল ওই হেলিকপ্টারটি। নাসার পারসিভারে্ন্স রোভারের সঙ্গে ওই হেলিকপ্টার অবতরণ করার পর ১৯ এপ্রিল প্রথম পৃথিবীর বাইরে অন্য কোনও গ্রহে হেলিকপ্টার ওড়াতে সক্ষম হয়েছিলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। সেদিন ৩৯.১ সেকেন্ড উড়েছিল উড়োজাহাজটি। সেইসঙ্গে লালগ্রহে তৈরি হয়েছিল নয়া ইতিহাস। এ বছরের মে মাসে নাসা রেকর্ড ২৫ বার উড়ান সম্পূর্ণ করে। সেই ফুটেজ নাসা প্রকাশ করেছে সম্প্রতি। প্রতি সেকেন্ডে ৫.৫ মিটার গতিতে ৭০৪ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করেছিল উড়োজাহাজটি। এটি এখন পর্যন্ত রোটারক্রাফ্টের দীর্ঘতম এবং দ্রুততম ফ্লাইট ছিল।
(Source: oneindia.com)
