
Worst Food for Liver:ফ্যাটি লিভার রোগ হলযকৃতের কোষগুলিতে অতিরিক্ত চর্বি জমা হওয়াএটি সাধারণত দুটি শ্রেণীতে বিভক্ত: এমএএসএলডি (বিপাক-সম্পর্কিত, যা প্রায়শই স্থূলতা এবং ডায়াবেটিসের সাথে যুক্ত) এবং এএফএলডি (অ্যালকোহল-সম্পর্কিত)। প্রাথমিক পর্যায়ে এটি সাধারণত একটি “নীরব” রোগ, যার কোনো উপসর্গ থাকে না, কিন্তু এর চিকিৎসা না করা হলে এটি গুরুতর প্রদাহ এবং ক্ষত (সিরোসিস) সৃষ্টি করতে পারে।
আজকাল ফ্যাটি লিভারের সমস্যা প্রায় ঘরে ঘরে। দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ লিভার বা যকৃতে যখন অবাঞ্ছিত মেদ জমে, তখন এর কার্যকারিতা কমে যায় অনেকটাই। ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে। এই রোগ মূলত লাইফস্টাইল সংক্রান্ত। জীবনযাপনের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মানলেই মুক্তি সম্ভব ফ্যাটি লিভার থেকে।
এই বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে বলেছেন চিকিৎসক এস এ মল্লিক৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে তাঁর রিলস৷ সেখানে তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে সাধারণ কিছু নিয়মকানুন ও জীবনযাপনের টিপস৷ সেগুলি পালন করা কঠিন নয়৷ ঠিকমতো পালন করলে বশে থাকবে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা৷
এস এ মল্লিক ডায়েটের পাশাপাশি জোর দিয়েছেন শারীরিক কসরতের উপর৷ তাঁর মতে, আপনি যদি রোজ অন্তত ২ কিলোমিটারের বেশি হাঁটতে পারেন, তাহলে উপকার হবে লিভারের৷ পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে ওজন৷ যদি ওজন নির্দিষ্ট থাকে উচ্চতা অনুযায়ী, তাহলে লিভার নীরোগ থাকে৷ কারণ অতিরিক্ত ওজন বেশির ভাগ সময়েই রোগের কারণ ও ভান্ডার৷
ময়দা, চিনি, মিষ্টি জাতীয় রিফাইন্ড খাবার কমিয়ে দিন৷ ভাতের পরিমাণ কমান রোজকার ডায়েটে৷ আলুও খেতে পারেন, তবে পরিমিত পরিমাণে৷ চেষ্টা করুন বেশি করে ডায়েটরি ফাইবার খেতে৷ গোটা দানাশস্য আছে এমন খাবার যেমন, ওটস, মিলেট, আটা, ডালিয়া, বাদামবীজ, শাকসবজি, ফল বেশি করে খান৷ অ্যালকোহলের আসক্তি ত্যাগ করুন৷ কার্বোহাইড্রেডের পরিমাণ কমান৷ প্রোটিনের পরিমাণ বাড়িয়ে দিন ডায়েটে৷
ক্রনিক কোনও রোগ, যেমন ডায়াবেটিস, হাই ব্লাড প্রেশার, কোলেস্টেরল, থাইরয়েড থাকলে সেগুলি কঠোর ভাবে নিয়ন্ত্রণ করুন৷ এই রোগগুলি কমবেশি নীরব ঘাতক৷ কারণ নীরবেই ডেকে আনে বিপদ৷ তাই রোগগুলি নিয়ন্ত্রণে থাকলে অন্যান্য অঙ্গের সঙ্গে সুস্থ থাকবে লিভারও৷
নিয়মিত শারীরিক কসরত করুন৷ দীর্ঘ ক্ষণ বসে বসে কাজ, অলস জীবনয়াপন করবেন না৷ পর্যাপ্ত ঘুম খুবই প্রয়োজনীয়৷ নিয়মিত ৮ ঘণ্টা না হলেও অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুম খুব দরকার৷ এই নিয়মগুলি মেনে চললে ফ্যাটি লিভার রিভার্স করা অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব৷ মনে করছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা৷
(Feed Source: news18.com)
