
Kudankulam Nuclear Power Plant: কুডনকুলামের পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্রের গোপন তথ্য চলে গিয়েছে হ্যাকারদের কাছে।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ভয়ংকর কাণ্ড। কুডনকুলামের পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্রে এবার সাইবার হানা! ফাঁস হয়ে গিয়েছে প্ল্যান্টের কিছু অংশের ব্লুপ্রিন্ট-সহ একাধিক নথি।
ভারতে সাতটি পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্র রয়েছে। তারমধ্যে কুডনকুলামের পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্রটিই সবচেয়ে বড়। সেই কেন্দ্রের গোপন তথ্য চলে গিয়েছে হ্যাকারদের কাছে। সংবাদসংস্থা রয়টার্স সূত্রে খবর, তথ্যচুরি বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছে ঠিকাদার সংস্থা রিলায়েন্ট গ্রুপ। তারা জানিয়েছে, একটি থার্ড-পার্টি ডেটা সেন্টারে হোস্ট করা তাদের সার্ভার থেকে কিছু তথ্য আংশিকভাবে চুরি হয়ে গিয়েছে। যেমন, পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্রে কিছু অংশে নকশা, সরবরাহকারীদের তথ্য, পরিদর্শনে রেকর্ড , বীমা সংক্রান্ত তথ্য। তবে ঠিক ধরণের তথ্য চুরি হয়েছে, তা অবশ্য জানানো হয়নি।
সরকার পরমাণু নিরাপত্তা সংক্রান্ত পরামর্শ ও প্রস্তুতি খতিয়ে দেখার কাজ করে নিউক্লিয়ার থ্রেট ইনিশিয়েটিভ’ নামে একটি সংস্থা। সেই সংস্থার সিনিয়র ডিরেক্টর নিকোলাস রোথ জানিয়েছেন, এই ধরণের তথ্যচুরির ঘটনা পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্র নিরাপত্তার জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। ঠিকাদারি সংস্থার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
২০১৮ সালে কুডনকুলাম পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্রের ইউনিট ৩ এবং ইউনিট ৪-র তৈরি বরাত পায় রিলায়েন্স গ্রুপের কোম্পানি রিলায়েন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার। এখন দুটি ইউনিটের কাজ চলছে। ২০২৭ সালের ইউনিট দুটি চালু হওয়ার সম্ভাবনা। চালু হওয়ার পর মোট ২০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে।
কুডনকুলামের পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্র তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে ‘ওয়ার্ল্ড লিকস’ নামে একটি আন্তর্জাতিক হ্য়াকার গোষ্ঠী। বিভিন্ন কোম্পানি তথ্য চুরি ব্ল্যাকমেইল করাই এদের মূল কাজ। টাকা না তথ্য ফাঁস করে দেওয়া হয় ডার্ক ওয়েবে। ভারতে টাকা গোষ্ঠীকেই টার্গেট করছিল ‘ওয়ার্ল্ড লিকস’। বাদ যায়নি অ্যাপল এবং টেসলারের মতো কোম্পানিও।
(Feed Source: zeenews.com)
