
Tarakeswar Tour Guide: শ্রাবণ সোমবারে তারকেশ্বর তারকনাথের মন্দিরে ভক্তদের ভিড় উপচে পড়ে। বিভিন্ন জায়গা থেকে মহাদেবের ভক্তরা ছুটে আসেন এই মন্দিরে। দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে আসুন বহু ভক্ত। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে মহাদেবের মাথায় জল ঢালেন তাঁরা। তাই প্রথমবার তারকেশ্বর যাওয়ার আগে মাথায় রাখতে হবে কয়েকটি টিপস। তাহলে সেই যাত্রা আরও সহজ হবে।
প্রথমবার বাবা তারকনাথের ধামে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন? কিন্তু সেখানে গিয়ে কিভাবে পুজো দেবেন? কোন পথে সহজে পৌঁছাবেন মন্দিরে? প্রয়োজনে থাকবেন কোথায়? কী কী জিনিস কাছে রাখতে হবে? এই বিষয় নিয়ে অনেকের মাথাতেই রয়েছে হাজারো চিন্তা। তবে এই ছোট্ট কয়েকটি বিষয়ে মাথায় রাখলে আর পুজো দিতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হবে না।
ট্রেনে যেতে চাইলে আপনাকে প্রথমে পৌঁছতে হবে শেওড়াফুলি স্টেশন। তারপর সেখান থেকে পাবেন তারকেশ্বর যাওয়ার ট্রেন। এছাড়াও হাওড়া স্টেশন থেকে সরাসরি তারকেশ্বর লোকাল পাওয়া যায়। বাসেও যাতায়াত করা যায়। হাওড়া, বর্ধমান, মেদিনীপুর-সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে সরাসরি বাস পাওয়া যায়।
মহাদেবের মাথায় জল ঢালার পাশাপাশি অনেকে পুজো দেওয়ার পরিকল্পনা রাখেন। কিন্তু পুজোর ডালা কোথায় পাওয়া যাবে, তার মধ্যে কী কী রাখতে হবে, এই নিয়েও অনেকের মনে সংশয় থাকে। বিশেষজ্ঞ পুরোহিতরা বলছেন, ডালার মধ্যে গঙ্গাজল, কাঁচা দুধ, আকন্দ ফুলের মালা ও বেলপাতা যেন অবশ্যই থাকে। মন্দির চত্বর বা শেওড়াফুলি গঙ্গার ঘাটেই সমস্ত উপাচার সাজানো ডালা বিক্রি হয়।
দীর্ঘ পথের যাত্রা ও লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার কথা ভেবে প্রয়োজনীয় জিনিস সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে গিয়ে অনেকেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন। সেই ক্লান্তি দূর করার জন্য সঙ্গে গ্লুকোজ অথবা ওআরএস রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভক্তরা দীর্ঘ পথ হেঁটে মন্দির পর্যন্ত যাত্রা করেন। তাই সেই সময় হালকা সুতির পোশাক পরার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে অবশ্যই এক জোড়া অতিরিক্ত জামাকাপড় ও তোয়ালে রাখতে বলা হয়েছে। এছাড়াও ছাতা, প্রয়োজনীয় ওষুধ, কিছুটা নগদ টাকা ও পাওয়ার ব্যাংক সঙ্গে রাখলে সমস্যায় পড়তে হবে না।
দূর থেকে আসা পুণ্যার্থীদের জন্য তারকেশ্বরে রাত্রিবাসের দারুণ ব্যবস্থা আছে। তারকেশ্বর একাধিক সাশ্রয়ী ধর্মশালা ও গেস্ট হাউস রয়েছে। স্টেশন রোড বা মন্দির চত্বরের চারপাশে প্রচুর হোটেল ও লজ পাওয়া যাবে। পকেট ফ্রেন্ডলি বাজেটে এই হোটেল এবং লজ গুলি পাওয়া যায়। এছাড়াও শ্রাবণী মেলার সময় স্থানীয় সেবা সমিতিগুলি বিনামূল্যে বড় প্যান্ডেল ও বিশ্রামাগার তৈরি করে। প্রয়োজনে সেখানেও বিশ্রাম নেওয়া যাবে।
(Feed Source: news18.com)
