২৭,৮৫৫টি L&T শেয়ার-সহ এই বৃদ্ধের ১০০ কোটির শেয়ার পোর্টফোলিও ভাইরাল! নেটিজেনদের প্রশ্ন— ‘এত টাকা থেকেও লাভ কী?’

২৭,৮৫৫টি L&T শেয়ার-সহ এই বৃদ্ধের ১০০ কোটির শেয়ার পোর্টফোলিও ভাইরাল! নেটিজেনদের প্রশ্ন— ‘এত টাকা থেকেও লাভ কী?’

 

তবে News18 Bangla স্বাধীনভাবে ভিডিওটির সত্যতা বা তাতে করা দাবিগুলির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি। এটি আসলে সোশ্যাল মিডিয়ায় আগে প্রকাশিত একটি পুরনো ভিডিও, যা সম্প্রতি আবার নতুন করে ভাইরাল হয়েছে।

কর্ণাটকের ওই প্রবীণ ব্যক্তি সম্প্রতি আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন, যখন তিনি অত্যন্ত স্বাভাবিক ভঙ্গিতে নিজের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের কথা জানান। তাঁর বক্তব্যের ভিত্তিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই হিসাব করে অনুমান করেন যে, তাঁর শেয়ার পোর্টফোলিওর বর্তমান মূল্য প্রায় ১০০ কোটি টাকার কাছাকাছি হতে পারে। তবে এর থেকেও বেশি যেটি মানুষের নজর কেড়েছে, তা হল তাঁর অত্যন্ত সাধারণ ও সাদামাটা জীবনযাপন।

 

এক্স (আগের ট্যুইটার)-এ পোস্ট করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এক ভ্লগার ওই প্রবীণ ব্যক্তির বাড়ির বাইরে তাঁর সঙ্গে কথা বলছেন। ভিডিও যে ব্যক্তি তুলছিলেন তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন যে তাঁর কাছে কোন কোন সংস্থার শেয়ার রয়েছে। উত্তরে ওই প্রবীণ ব্যক্তি দাবি করেন, তাঁর কাছে লার্সেন অ্যান্ড টুবরো (L&T)-এর ২৭,৮৫৫টি শেয়ার, আল্ট্রাটেক সিমেন্টের প্রায় ২,৪৭৫টি শেয়ার এবং কর্ণাটক ব্যাঙ্কের ৪,০০০টি শেয়ার রয়েছে।

বিনিয়োগ থেকে তাঁর আয় কত?—এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, তিনি বছরে প্রায় ৬.৫ লক্ষ টাকা লভ্যাংশ (ডিভিডেন্ড) পান। তাঁর কথায়, এই অর্থই তাঁকে কোনও আর্থিক দুশ্চিন্তা ছাড়াই স্বচ্ছন্দে জীবনযাপন করার জন্য যথেষ্ট। যদিও ভিডিওটি এবং তাতে করা দাবিগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি, তবুও এই ক্লিপটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের লাভ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।

পুরনো এই ভিডিওটি ফের ভাইরাল হওয়ার পর, ব্যবহারকারীরা ওই প্রবীণ ব্যক্তির দাবি অনুযায়ী তাঁর শেয়ারগুলির বর্তমান বাজারমূল্য হিসাব করতে শুরু করেন। বহুল প্রচারিত একটি হিসাব অনুযায়ী, তাঁর শেয়ার পোর্টফোলিওর মোট মূল্য ১০০ কোটিরও বেশি, প্রায় ১০২ কোটি টাকা। ওই হিসাব অনুযায়ী, L&T-এর শেয়ারের মূল্য প্রায় ৮০ কোটি টাকা, আল্ট্রাটেক সিমেন্টের শেয়ারের মূল্য প্রায় ২১ কোটি টাকা এবং কর্নাটক ব্যাংকের শেয়ারের মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা।

 

প্রবীণ ব্যক্তির দাবি ঘিরে নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া:

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ প্রশ্ন তোলেন, এত বিপুল সম্পত্তি থাকার পরও যদি এত সাধারণ জীবনযাপনই করতে হয়, তবে সেই সম্পদের অর্থ কী? আবার অনেকেই প্রবীণ ব্যক্তির দাবির সত্যতা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন।

একজন ব্যক্তি লিখেছেন,‘‘সাধারণভাবে জীবনযাপন করায় আলাদা কোনও মহত্ত্ব নেই। যদি আপনার অর্থ থাকে, তাহলে বিলাসিতা উপভোগ করুন। আর অর্থ থাকা সত্ত্বেও যদি তা উপভোগ করতে না চান, সেটাও আপনার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত—এতে বিশেষ কিছু বলার নেই।’’

আরেকজন মন্তব্য করেন, “১০০ কোটি টাকা থাকারই বা কী লাভ? শেষ পর্যন্ত তো শুধু পরবর্তী প্রজন্মই নষ্ট হবে?”

অন্যদিকে, একজন ব্যবহারকারী ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করায় ভ্লগারকে সমালোচনা করে লেখেন, “এভাবে এই তথ্য প্রকাশ করা ঠিক হয়নি। এর ফলে ওই প্রবীণ ব্যক্তির জীবনও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।”

(Feed Source: news18.com)