)
Epstein 100 million dollar fortune: গোপনে বিয়ের পরিকল্পনা! এপসেটাইনের মৃত্যুর ঠিক দু’দিন আগে সই করা উইলেও কারিনা শুলিয়াকের নাম অন্যতম প্রধান বেনিফিশিয়ারি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিল। এপস্টাইন তাঁর ট্রাস্ট থেকে শুলিয়াককে ১০ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থ দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে গিয়েছিলেন।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: কুখ্যাত মার্কিন কোটিপতি ও যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের মৃত্যু ও তাঁর রহস্যময় জীবনকে ঘিরে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য ক্রমশ প্রকাশ্যে আসছে। সম্প্রতি সামনে আসা ‘এপস্টেইন ফাইলস’ থেকে জানা গিয়েছে যে, নিজের বিশাল এস্টেট ও কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি হস্তান্তরের কৌশল হিসেবে নিজের অর্ধেক বয়সী এক তরুণী ডেন্টিস্টকে আইনি বিয়ের পরিকল্পনা করেছিলেন এপস্টেইন। বেলোরাশিয়া বংশোদ্ভূত ডেন্টিস্ট কারিনা শুলিয়াক নামের ওই তরুণীকে নিজের সমস্ত সম্পত্তির একমাত্র উত্তরাধিকারী করার লক্ষ্যেই গোপনে বিয়ের পরিকল্পনা করেছিলেন এপস্টেইন।
তথ্যপ্রমাণ অনুযায়ী, ২০১৯ সালের অগাস্টে ম্যানহাটন জেলখানায় আত্মহত্যা করার ঠিক কিছুদিন আগে এপস্টেইন এই গোপন বিয়ের রূপরেখা চূড়ান্ত করেন। সেই সময়ে তাঁর বয়স ছিল ৬৬ বছর। আর কারিনা শুলিয়াকের বয়স ছিল মাত্র ৩০-এর কোঠায়। এপস্টেইন জানতেন, তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর সম্পত্তি রক্ষা করা কঠিন হতে পারে। তাই আইনি ফাঁকফোকর ব্যবহার করে শুলিয়াককে স্ত্রী বানিয়ে সম্পত্তির বড় অংশ তাঁর নামে সুরক্ষিত করার ছক কষেছিলেন তিনি।
প্রকাশ্যে আসা নথিপত্রে দেখা গেছে, এপসেটাইনের মৃত্যুর ঠিক দু’দিন আগে সই করা উইলেও কারিনা শুলিয়াকের নাম অন্যতম প্রধান বেনিফিশিয়ারি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিল। এপস্টাইন তাঁর ট্রাস্ট থেকে শুলিয়াককে ১০ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থ দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে গিয়েছিলেন। কেবল তা-ই নয়, শুলিয়াকের পড়াশোনা, ডেন্টাল স্কুলের বিপুল খরচ এবং প্রাত্যহিক বিলাসবহুল জীবনযাত্রার সম্পূর্ণ খরচ যোগাতেন এপস্টেইন নিজে।
তদন্তকারীদের মতে, কারিনা শুলিয়াক ছিলেন এপস্টেইনের জীবনের শেষের দিনগুলির অন্যতম ঘনিষ্ঠ সঙ্গী। এপস্টেইন যখন কারাগারে বন্দী ছিলেন, তখন তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যাওয়া এবং টেলিফোনে কথা বলা হাতে গোনা কয়েকজনের মধ্যে একজন ছিলেন শুলিয়াক। এমনকি এপস্টেইন মারা যাওয়ার পর কারিনা তাঁর বিপুল আর্থিক সম্পত্তির একটি বড় অংশের দখল নিজের কবজাতেও পান।
(Feed Source: zeenews.com)
