
Shivpur IIEST: হাওড়ার শিবপুর IIEST-র পড়ুয়াদের জন্য নয়া চমক। ৪.৫ একর বিস্তৃত ঝিল ও তার সংলগ্ন এলাকা পেল একদম নতুন রূপ। একটি সংস্থার সামাজিক দায়বদ্ধতা উদ্যোগের মাধ্যমে এই কাজ করা হয়েছে। দীর্ঘ এক বছরের প্রচেষ্টায় নান্দনিক আলো, ওয়াকওয়ে ও সবুজ গাছে সাজিয়ে তোলা হয়েছে পুরো চত্বর। যা শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমাতে বড় ভূমিকা নেবে।
ক্যাম্পাসে পড়ুয়াদের জন্য তৈরি হয়েছে নেচার স্টাডি পার্ক
হাওড়া: পঠনপাঠনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রশান্তি এবং অবসরের কথা মাথায় রেখে হাওড়ার শিবপুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (IIEST) প্রাঙ্গণে অভিনব উদ্যোগ। প্রায় ৪.৫ একর বিস্তৃত ইনস্টিটিউটের নিজস্ব ঝিল এবং তার চারপাশের এলাকাকে এক মনোরম পরিবেশে রূপান্তর করা হয়েছে। বিশিষ্ট আবাসন সংস্থা ‘ইডেন গ্রুপ’-এর সামাজিক দায়বদ্ধতা উদ্যোগের (CSR) হাত ধরে এই সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
দীর্ঘ এক বছর ধরে কঠোর পরিশ্রমের পর ইডেন গ্রুপ এই জলাশয় এবং সংলগ্ন এলাকাটি নতুন করে সাজিয়ে তুলেছে। ঝিলের জল পরিষ্কার করার পাশাপাশি চারপাশের চত্বরকে নান্দনিক আলো, নতুন গাছপালা, বসে কথা বলার মনোরম আসন এবং হাঁটার পথ বা ‘ওয়াকওয়ে’ দিয়ে বাঁধিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রাকৃতির এই শান্ত পরিবেশ শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমানোর জন্য এক আদর্শ ঠিকানা হয়ে উঠেছে।
এখন থেকে শিক্ষার্থীরা তাঁদের পড়াশোনার পাশাপাশি অবসর সময় কাটাতে এই মনোরম চত্বরে আসতে পারবেন। হালকা হাওয়ায় বসে বই পড়া, বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনা বা একান্তে কিছুটা সময় কাটানোর জন্য স্থানটি দারুণ উপযোগী। ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষের মতে, প্রকৌশল এবং বিজ্ঞানের মতো কঠিন বিষয়ের পড়াশোনায় যে নিরবচ্ছিন্ন মানসিক চাপ তৈরি হয়, এই প্রাকৃতিক সবুজ পরিবেশ তা লাঘব করতে সাহায্য করবে।
ইডেন গ্রুপের এই প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়েছে শিবপুর IIEST-এর শিক্ষক, কর্মী ও শিক্ষার্থীরা। কলেজের এক পড়ুয়ার কথায়, “এক বছরের মধ্যে এই জায়গার রূপান্তর সত্যিই অবিশ্বাস্য। এখন ক্লাস বা ল্যাবের ক্লান্তি শেষে ঝিলের ধারে কিছুটা সময় কাটালেই মন ভাল হয়ে যায়।” প্রকৃতি এবং আধুনিকতার এই মেলবন্ধন ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বহুলাংশে বাড়িয়ে তুলেছে।
