)
Kulgam Attack: আয়ের আশায় সাত-আট মাস আগে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে কেলামের একটি ইটভাটায় কাজ করতে গিয়েছিলেন দীপক
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ফের পহেলগাঁও ধাঁচে জঙ্গি হামলা! ফের ধর্ম জেনে খুন! চাঞ্চল্যকর দাবি নিহতের পরিবারের। শুক্রবার কাশ্মীরের কুলগামে এক জঙ্গি হামলায় নিহত হয়েছেন ২ পরিযায়ী শ্রমিক। নিহত এক শ্রমিকের পরিবারের অভিযোগে ধর্ম জেনেই খুন করা হয়েছে তার দাদাকে।
ওইদিন কুলগামে ছত্তীসগঢ়ের শক্তি জেলার বাসিন্দা দীপক রাতরে (২৪) নামে এক পরিযায়ী শ্রমিক জঙ্গিদের গুলিতে খুন হন। শুক্রবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগাম জেলার কেলাম এলাকায় একটি ইটভাটায় ওই সন্ত্রাসী হামলায় দীপক ছাড়াও আরেক পরিযায়ী শ্রমিক নিহত হন। তাঁর নাম ভূপেন্দ্র ভৈনা (২৮)। তিনিও ছত্তীসগঢ়েরই বাসিন্দা। হামলার পর দুজনেই মারাত্মক জখম হন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রাণ হারান।
নিহত দীপকের পরিবারের দাবি, গুলি চালানোর আগে হামলাকারীরা তাঁর ধর্ম জানতে চেয়েছিল। তবে নিরাপত্তারক্ষী সংস্থাগুলি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এই দাবির সত্যতা নিশ্চিত করেনি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। দীপকের ভাই মনোজের দাবি, ওকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল ও কোথা থেকে এসেছে এবং ওর ধর্ম কী। ও ‘হিন্দু’ বলার পর তাকে গুলি করা হয়।
ভালো আয়ের আশায় সাত-আট মাস আগে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে কেলামের একটি ইটভাটায় কাজ করতে গিয়েছিলেন দীপক। সে-ই ছিল পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। বাড়িতে তার বৃদ্ধা মা, প্রতিবন্ধী ছোট ভাই, স্ত্রী এবং এক শিশু সন্তান রয়েছে। তাঁর বাবা আগেই মারা গেছেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রিয়জনদের ভালো থাকার জন্যই দীপক বাড়ি ছেড়েছিল। কিন্তু তার বদলে তাকে সন্ত্রাসের শিকার হতে হল। স্বজনরা সরকারের কাছে আর্থিক সাহায্য ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন, কারণ পরিবারটি এখন পুরোপুরি উপায়হীন।
মর্মান্তিক ঘটনার প্রশাসনের আধিকারিকরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের সাথে দেখা করেন এবং সব ধরণের সাহায্যের আশ্বাস দেন। দীপকের মরদেহ তাঁর নিজ গ্রামে ফিরিয়ে আনার জন্য ছত্তীসগঢ়র জেলা প্রশাসন জম্মু ও কাশ্মীরের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ রাখছে।
ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেব সাই নিহত দুই শ্রমিকের পরিবারকে ২০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। এই হামলাকে “মানবতা ও জাতীয় ঐক্যের ওপর আঘাত” হিসেবে আখ্যা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় রেখে ধর্মীয় রীতি মেনে যাতে নিহতদের শেষকৃত্য মর্যাদার সাথে সম্পন্ন করা যায়, তার জন্য রাজ্য সরকারের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জম্মু ও কাশ্মীরে পাঠানো হবে।
নিহত দীপকের পরিবারের দাবি, গুলি চালানোর আগে হামলাকারীরা তাঁর ধর্ম জানতে চেয়েছিল। তবে নিরাপত্তারক্ষী সংস্থাগুলি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এই দাবির সত্যতা নিশ্চিত করেনি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। দীপকের ভাই মনোজের দাবি, ওকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল ও কোথা থেকে এসেছে এবং ওর ধর্ম কী। ও ‘হিন্দু’ বলার পর তাকে গুলি করা হয়।
ভালো আয়ের আশায় সাত-আট মাস আগে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে কেলামের একটি ইটভাটায় কাজ করতে গিয়েছিলেন দীপক। সে-ই ছিল পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। বাড়িতে তার বৃদ্ধা মা, প্রতিবন্ধী ছোট ভাই, স্ত্রী এবং এক শিশু সন্তান রয়েছে। তাঁর বাবা আগেই মারা গেছেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রিয়জনদের ভালো থাকার জন্যই দীপক বাড়ি ছেড়েছিল। কিন্তু তার বদলে তাকে সন্ত্রাসের শিকার হতে হল। স্বজনরা সরকারের কাছে আর্থিক সাহায্য ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন, কারণ পরিবারটি এখন পুরোপুরি উপায়হীন।
মর্মান্তিক ঘটনার প্রশাসনের আধিকারিকরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের সাথে দেখা করেন এবং সব ধরণের সাহায্যের আশ্বাস দেন। দীপকের মরদেহ তাঁর নিজ গ্রামে ফিরিয়ে আনার জন্য ছত্তীসগঢ়র জেলা প্রশাসন জম্মু ও কাশ্মীরের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ রাখছে।
ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেব সাই নিহত দুই শ্রমিকের পরিবারকে ২০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। এই হামলাকে “মানবতা ও জাতীয় ঐক্যের ওপর আঘাত” হিসেবে আখ্যা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় রেখে ধর্মীয় রীতি মেনে যাতে নিহতদের শেষকৃত্য মর্যাদার সাথে সম্পন্ন করা যায়, তার জন্য রাজ্য সরকারের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জম্মু ও কাশ্মীরে পাঠানো হবে।
(Feed Source: zeenews.com)
