)
Lalit Modi’s Party Video: গ্রিসে গায়িকা কণিকা কাপুরের সঙ্গে ললিত মোদীর উদ্দাম পার্টির ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই সামাজিক মাধ্যমে চর্চা শুরু হয়েছে। ২০০৯ সালের আইপিএল সংক্রান্ত মামলায় ইডি-র জরিমানা বাতিল হওয়ায় বড় আইনি জয় পেয়েছেন প্রাক্তন আইপিএল প্রধান। ১৬ বছরের আইনি লড়াই শেষে চলতি বছরের শেষেই ভারতে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: গ্রিসের বিচে হাতে শ্যাম্পেনের গ্লাস, সঙ্গে খ্যাতনামা ভারতীয় গায়িকা কণিকা কাপুর ও উদ্যোক্তা লরেন শর্ট— নেটদুনিয়ায় বর্তমানে ঘুরে বেড়াচ্ছে প্রাক্তন আইপিএল চেয়ারম্যান ললিত মোদীর এক জমকালো পার্টির ভিডিয়ো। আইনি জটিলতা ও বিতর্ক দূরে সরিয়ে গ্রিসের সূর্যস্নাত সৈকতে তাঁর এই উদযাপনের মেজাজ দেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
মাইকোনোসের বিখ্যাত ‘ROKA Beach Club’-এ তোলা এই ভিডিয়োতে একেবারে ফুরফুরে মেজাজে দেখা গিয়েছে ৬০ পেরোনো মোদীকে। নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলেও ছুটির দিনের মুহূর্তগুলোর একটি কোলাজ শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, “জুলাই ছিল পার্টির মাস।” শুধু তাই নয়, ওই ভিডিয়োতে কণিকা কাপুরের মিউজিক ক্রেডিটের কথা উল্লেখ করে খুব শীঘ্রই তাঁদের একটি যৌথ প্রজেক্ট আসারও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিয়োটি ভাইরাল হতেই নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে, এক্স প্ল্যাটফর্মে এক ইউজার লিখেছেন, “দেশের অর্ধেক তরুণ প্রজন্ম যখন ইএমআই আর ট্রাফিক জ্যামের স্ট্রেসে জর্জরিত, তখন এই মানুষটি গ্রিসের সৈকতে শ্যাম্পেন হাতে জীবন উপভোগ করছেন। নো FOMO, স্রেফ মেইন ক্যারেক্টার এনার্জি!” অনেকে আবার তাঁর পারিবারিক সম্পত্তি ও ব্যবসার প্রশংসা করে লিখেছেন, ললিত মোদীর তৈরি আইপিএল মডেল আজ হাজার হাজার ক্রিকেটার ও ব্যবসায়ীকে কোটিপতি করেছে। অন্যদিকে, ললিত মোদী, বিজয় মালিয়া ও নীরব মোদীকে দ্রুত ভারতে ফিরিয়ে এনে বিচার করার দাবিও তুলেছেন ক্ষুব্ধ নেটিজেনদের একাংশ।
১৬ বছরের আইনি লড়াইয়ে বড় জয়, দ্রুত ভারতে ফেরার বার্তা
গ্রিসের পার্টির ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ার পেছনেই রয়েছে ললিত মোদীর একটি বড় আইনি সাফল্য। ২০০৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় আয়োজিত আইপিএল সংক্রান্ত একটি বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) দেওয়া বিপুল অঙ্কের জরিমানা সম্পুর্ণ খারিজ করে দিয়েছে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। এই রায়ের পর এক ভিডিয়ো বার্তায় স্বস্তি প্রকাশ করে ললিত মোদী জানান, “দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে আমি এই লড়াইটা লড়ছি। সংবাদমাধ্যম ও সাধারণ মানুষকে এতদিন যা বলে এসেছি, অবশেষে সেটাই সত্য বলে প্রমাণিত হল।” ২০১০ সাল থেকে লন্ডনে বসবাসকারী ললিত মোদী আরও জানান, বড় আইনি জয়ের পর এই বছরের শেষে অথবা আগামী বছরের শুরুতেই তিনি ভারতে ফিরতে চান। তবে চিরদিনের জন্য ভারতে না ফিরলেও, তাঁর স্থায়ী বাসস্থান লন্ডনেই থাকবে। নিজের ভাবাবেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন— “লন্ডন আমার ঘর হলেও, আমার হৃদয় এখনও ভারতের জন্যই স্পন্দিত হয়।”
(Feed Source: zeenews.com)
