)
শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ খেলার আগেই ঋষভ পন্থকে নিয়ে এল বিরাট আপডেট! একাই ২৩.৮৪ কোটির ট্যাক্স দিয়ে রেকর্ড করলেন তিনি
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: টিম ইন্ডিয়ার স্টার উইকেটকিপার-ব্য়াটার ঋষভ পন্থ এবার মাঠের বাইরে রেকর্ড করলেন। তাঁর রাজ্যে উত্তরাখণ্ডের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত করদাতা হিসেবে নজির গড়েছেন। জুন মাসে ভারতের টেস্ট দলের সহ-অধিনায়কের পদ থেকে সরে যাওয়া পন্থ ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের জন্য ২৩.৮৪ কোটি টাকার কর জমা দিয়েছেন বলেই জানা গিয়েছে। নন-কর্পোরেট বিভাগে চতুর্থ সর্বোচ্চ করদাতা পন্থই। যে বিভাগে মূলত ব্যাংক ও বিভিন্ন কোম্পানি অন্তর্ভুক্ত থাকে। ভারতের এই তারকা ক্রিকেটারের এত বিপুল পরিমাণ কর জমা দেওয়ার মূল কারণই হল আইপিএল থেকে পাওয়া ২৭ কোটি টাকার বিশাল পারিশ্রমিক। যা তিনি প্রাক্তন টিম লখনউ সুপার জায়ান্টসের থেকে পেয়েছিলেন। সঞ্জীব গোয়েঙ্কার লখনউ কয়েক বছর আগে আইপিএল ২০২৫ সালের মেগা নিলামে রেকর্ড ২৭ কোটি টাকায় পন্থকে দলে নিয়েছিল।
পন্থের উপার্জন নিয়ে দু’এক কথা
পন্থ এলএসজি-র হয়ে কয়েকটি মরসুম খেললেও দলকে ২০২৫ বা ২০২৬ সালের প্লে-অফে তুলতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। আইপিএল ২০২৭-এর আগে, কুলদীপ যাদবের বিনিময়ে (ডিসি থেকে এলএসজি-তে) পন্থকে তাঁর পুরনো দল দিল্লি ক্যাপিটালস ট্রেড করেছে এবং সেখানে তাঁর পারিশ্রমিক ১২ কোটি টাকা কমে ১৫ কোটি টাকা হয়েছে। বিশাল আইপিএল পারিশ্রমিক ছাড়াও, পন্থ বিসিসিআই-এর কেন্দ্রীয় চুক্তিবদ্ধ একজন ক্রিকেটার এবং কর প্রদানের সময় কালে তিনি গ্রেড-এ তালিকাভুক্ত ছিলেন। সেই সময়ে পন্থ বছরে ৭ কোটি টাকা রিটেইনারশিপ বা বার্ষিক পারিশ্রমিক পেয়েছেন। এরপর পন্থকে গ্রেড বি-তে নামিয়ে আনা হয়, যেখানে তিনি বছরে ৩ কোটি টাকা করে পাচ্ছেন। এছাড়া এলএসজি-র হয়ে আইপিএল ২০২৫ মরসুমে ম্যাচ প্রতি ৮ লক্ষ টাকা হিসেবে তিনি মোট ১.১ কোটি টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন। ভারতীয় দলের হয়ে তাঁর পারিশ্রমিক ছিল টেস্ট ম্যাচ প্রতি ১৫ লক্ষ টাকা এবং ওডিআই পিছু ৮ লক্ষ টাকা। পন্থ একদিনের বিজ্ঞাপন বা ব্র্যান্ড শ্যুটের জন্য ২.৫ কোটি টাকা এবং দু’দিনের কাজের জন্য ৪.৫০ থেকে ৪.৭৫ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন। এছাড়া ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট বা প্রচারমূলক কাজের জন্য তাঁর বার্ষিক আয় প্রায় ২৮ থেকে ৩৫ কোটি টাকা।
২০২৫-২৬ সালের জন্য ঋষভ পন্থের আয়ের বিস্তারিত বিবরণ নীচে দেওয়া হল:
আইপিএল বেতন: এলএসজি-র কাছ থেকে ২৭ কোটি টাকা পেয়েছেন।
বিসিসিআইয়ের কেন্দ্রীয় চুক্তি: ২০২৪-২৫ পর্যন্ত গ্রেড এ-তে ৭ কোটি টাকা পেয়েছেন।
আইপিএল ম্যাচ ফি: প্রতি ম্যাচে ৮ লক্ষ টাকা, মোট ১.১০ কোটি টাকা পেয়েছেন।
ভারতের হয়ে খেলার ম্যাচ ফি: টেস্টের জন্য ১৫ লক্ষ টাকা, ওডিআইয়ের জন্য ৮ লক্ষ টাকা পান।
ব্র্যান্ড শ্যুট ফি: একদিনের বিজ্ঞাপনের জন্য ২.৫ কোটি টাকা এবং দু’দিনের কাজের জন্য ৪.৫ থেকে ৪.৭৫ কোটি টাকা নিয়ে থাকেন
এন্ডোর্সমেন্ট ফি: বছরে একটি ব্র্যান্ডের জন্য ২৮ থেকে ৩৫ কোটি টাকা পেয়ে থাকেন
এন্ডোর্সমেন্ট: অ্যাডিডাস, ড্রিম১১, এসজি, থামস আপ, ক্যাডবেরি, বোট, নয়েজ, জোম্যাটো, জেএসডব্লিউ সিমেন্ট ও মেকমাইট্রিপ
(Feed Source: zeenews.com)
