)
VIRAL VIDEO: শহরের একাধিক পাঁচতারা ও তিনতারা হোটেলের সঙ্গেই অভিজাত সব পাবগুলিতে বিরাট অভিযান চালিয়েছে এফএসডিএ। সেখান থেকে জব্দ হয়েছে ২৫০ কেজিরও বেশি পচা মাংস, ২০৭ কেজি নষ্ট সবজি, ৩২ লিটার মেয়াদোত্তীর্ণ দুধ এবং ৩ কেজি বাসি বেকারি
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: শহরের অভিজাত হোটেল ও পাবগুলিতে ঠিক কী চলছে! খাবারের নামে কি সেখানে বিষ দেওয়া হচ্ছে? খাবারের গুণমাণ পরখ করে দেখার জন্য় শহর জুড়ে বিরাট অভিযান চালাচ্ছে কর্ণাটক ফুড সেফটি অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএসডিএ)! বিগত তিন দিনে একাধিক নামী পাঁচতারা ও তিনতারা হোটেলর পাশাপাশি বিভিন্ন পাবে গিয়ে এফএসডিএ আধিকারিকদের চক্ষু চড়কগাছ হয়ে গিয়েছে। অভিযানে ৩০টি বিশেষ এনফোর্সমেন্ট টিম ২৬টি প্রিমিয়াম হোটেলে তল্লাশি চালিয়ে ২৫০ কেজিরও বেশি পচা মাংস, ২০৭ কেজি নষ্ট সবজি, ৩২ লিটার মেয়াদোত্তীর্ণ দুধ এবং ৩ কেজি বাসি বেকারি সামগ্রী ধ্বংস করে। জনসাধারণের থেকে পাওয়া একাধিক অভিযোগের প্রেক্ষিতেই এই আচমকা অভিযান চালিয়েছিল এফএসডিএ পরীক্ষাগার বিশ্লেষণের জন্য খাদ্যের ৩৫টি নমুনা সংগ্রহ করেছে। সংশ্লিষ্ট খাদ্য ব্যবসা পরিচালনাকারীদের কাছে আনুষ্ঠানিক বিধিবদ্ধ নোটিস জারি করেছে। চূড়ান্ত ল্যাব রিপোর্ট পাওয়া মাত্রই আইন লঙ্ঘনকারী প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে ‘খাদ্য নিরাপত্তা ও মানদণ্ড আইন, ২০০৬’-এর আওতায় আইনি ও বিচারিক কার্যক্রম শুরু করা হবে।
কোন কোন হোটেল থেকে কী কী পাওয়া গিয়েছে
দ্য ললিত অশোক (সাউথ অ্যানেক্স): ৭৬ কেজি অস্বাস্থ্যকর মাংস, ২০০ কেজি পচা সবজি এবং ৩২ লিটার মেয়াদোত্তীর্ণ দুধ।
র্যাডিশন ব্লু (দ্য অ্যাট্রিয়াম): ১০৫ কেজি মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার-যার মধ্যে রয়েছে ৫০ কেজি মুরগীর মাংস, ২৫ কেজি মাংস, ২৩ কেজি মাছ এবং ৭ কেজি সবজি।
তাজ যশবন্তপুর: ৭২ কেজি নষ্ট মাংস ও মাছ।
ফোর সিজনস হোটেল: ১৯ কেজি নিম্নমানের মাংস।
শাংরি-লা বেঙ্গালুরু: ১৫ কেজি অনিরাপদ মাংস।
ভিভান্তা বেঙ্গালুরু হোয়াইটফিল্ড: ৩ কেজি মেয়াদোত্তীর্ণ বেকারি পণ্য।
কোন কোন বারে কী পাওয়া গিয়েছে?
সবার উপরে হোটেল স্কাই
ইউবি সিটির অন্যতম প্রধান পাব হোটেল স্কাই পরিদর্শনের সময়ে এফএসডিএ ৪৫ কেজি পচা মুরগী ও গরুর মাংসের সঙ্গেই ৬ কেজি ভেজিটেবল কাটলেট এবং ১৫ লিটার ব্যবহৃত রান্নার তেল পেয়েছেন। মোট ৫১ কেজি ওজনের এই খাদ্যসামগ্রীগুলি খাওয়ার অনুপযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং নিয়ম অনুযায়ী সেগুলি ধ্বংস করা হয়।
রয়্যাল চেইন হোটেল: ৫০ কেজি হাঁসের মাংস ও ৫ কেজি মাছ বাজেয়াপ্ত।
মাদ্রাজ কিচেন: ৫ কেজি মটরশুঁটি বাজেয়াপ্ত।
টেসকন হোটেল: ৫ কেজি মাশরুম বাজেয়াপ্ত!
স্য়াঞ্চেজ হোটেল: ৩ কেজি মাছ ও ৭ কেজি কেক বাজেয়াপ্ত হওয়ার পাশাপাশি আলু ও খাওয়ার অনুপযুক্ত হওয়ায় টাকোও ফেলে দেওয়া হয়েছে।
সব মিলিয়ে এই অভিযানের সময় এফএসডিএ ১৩২ কেজি খাদ্যসামগ্রী ধ্বংস করেছে। পাশাপাশি ১৫ লিটার ব্যবহৃত রান্নার তেলও ফেলে দেওয়া হয়েছে।
কী কী অভিযোগ ওই হোটেল ও পাবগুলির বিরুদ্ধে
ছত্রাকের সংক্রমণ: তাজা কৃষিপণ্য ও কাঁচা মাংসে প্রচুর পরিমাণে ছত্রাকের উপস্থিতি।
সংরক্ষণে ত্রুটি: নিরামিষ ও আমিষ খাবারের জন্য আলাদা হিমায়ন ব্যবস্থা (রেফ্রিজারেশন ইউনিট) বজায় রাখতে ব্যর্থতা।
লেবেলিং সংক্রান্ত জালিয়াতি: ভুল লেবেলযুক্ত খাবার এবং কৃত্রিম ভাবে মেয়াদ বাড়ানোর ঘটনা শনাক্তকরণ।
রান্নাঘরের পরিবেশ: সামগ্রিক ভাবে অস্বাস্থ্যকর খাবার প্রস্তুতির পরিবেশ এবং রান্নায় অত্যধিকবার ব্যবহৃত হচ্ছে একই তেল।
(Feed Source: zeenews.com)
