
Erling Haaland Cocaine Case: ৪৬৯ কেজি ট্রাকভর্তি কোকেন উদ্ধার হল হাইওয়ে থেকে! ১০৫ কোটির পাচারে জড়াল আরলিং হাল্যান্ড! ভাইরাল ভিডিয়োতে চমকে গেল ফুটবলবিশ্ব
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: নরওয়ের ফুটবল নক্ষত্র আরলিং হাল্যান্ডের সম্বন্ধে এখন কাউকেই কিছু বলার নেই। ফুটবলবিশ্ব জানে ‘দানব-মানব’ কী করেত পারেন। সদ্যসমাপ্ত ফিফা বিশ্বকাপে নরওয়ে কোয়ার্টার-ফাইনাল পর্যন্ত গিয়েছিল। তাদের ফুটবল ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ গৌরবময় অধ্যায় যা। ১৯৯৮ সালের পর দীর্ঘ ২৮ বছর বিশ্বকাপে ছিল না নরওয়ে। যা ছিল তাদের চতুর্থ বিশ্বকাপ। টুর্নামেন্টে ৪ ম্যাচে ৭ গোল করে ঝড় তুলে দিয়েছিলেন হাল্যান্ড।ছবি, ভিডিয়ো, রিলস থেকে শুরু করে বিলবোর্ড, ট্রেডিং কার্ড ও টেলিভিশনের পর্দা!সর্বত্র বিরাজমান ম্যাঞ্চেস্টার সিটির স্ট্রাইকার। তবে এবার ইকুয়েডরের পুলিস তাঁর ছবি পেল একেবারে পুরোপুরি এক অপ্রত্যাশিত জায়গায়! কলম্বিয়া সীমান্তের কাছের পুলিস উদ্ধার করেছে ট্রাকভর্তি ৪৬৯ কেজি কোকেন। আর অদ্ভুত বিষয় হল যে, সেই সবুজ রঙের আয়তাকার প্যাকেটগুলিতে ছিল সোনালি লম্বা চুলের স্ট্রাইকারের ছবি! নজরকাড়া প্যাকেটবন্দি কোকেনের মুখ হাল্যান্ড। ওই ট্রাকের চালককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে প্যাকেটগুলিতে কেন হাল্যান্ডের ছবি দেওয়া স্টিকার ব্যবহার করা হয়েছিল, সে বিষয়ে পুলিশ কোনও ব্যাখ্যা দেয়নি।
প্রচলিত রীতি মেনেই হাল্যান্ডের মুখ!
মাদক পাচারকারীদের প্রচলিত রীতিই হল তাদের চালানের উপর বিখ্যাত ক্রীড়াবিদ বা অন্যান্য তারকাদের নাম বা ছবি ব্যবহার করা। এর মাধ্যমে তারা সংকেত দেয় যে কোন অপরাধী চক্র এই পণ্যটি তৈরি করেছে এবং এটি কোন গ্রাহকের জন্য। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত মঙ্গলবার ভোরে প্যান-আমেরিকান হাইওয়েতে একটি বেনামী তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানোর সময় মাদকবিরোধী সংস্থার কর্তারা এক সন্দেহজনক ট্রাক দেখতে পান। তল্লাশি চালিয়ে ট্রাকের মেঝের নীচে তৈরি এক গোপন প্রকোষ্ঠ থেকে ৩৭০টি প্যাকেট জব্দ করেছেন। পুলিশ এক ভিডিয়ো প্রকাশ করেছে যাতে দেখা যাচ্ছে, ট্রাকের সেই গোপন প্রকোষ্ঠ থেকে প্যাকেটগুলি বেরিয়ে আসছে এবং সেগুলির ওপর হালান্ডের স্টিকার স্পষ্ট। যাকে ভক্তরা প্রায়ই ‘প্রিটি প্রিন্সেস’ বা ‘বেবিগার্ল’ বলেও সম্বোধন করে থাকেন। পুলিশ জানিয়েছে, রাজধানী কুইটো থেকে ২৪৬ কিলোমিটার উত্তরে সীমান্ত শহর তুলকানের কাছে গুয়াগুয়া নেগ্রো এলাকায় বুধবার এক অভিযানে মারিয়া আর নামের এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যার কাছে কলম্বিয়ার পরিচয়পত্র পাওয়া গিয়েছে। উদ্ধার হওয়া এই মাদকের চালানের আনুমানিক বাজারমূল্য দেশের অভ্যন্তরে প্রায় ৮ লাখ ৪২ হাজার ডলার। আমেরিকায় এর মূল্য ১ কোটি ১০ লাখ ডলারেরও বেশি (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১০৫ কোটি টাকারও বেশি) এবং ইউরোপে ১ কোটি ৯৬ লাখ ডলারের বেশি। ইকুয়েডরে স্থানীয় অপরাধী চক্রগুলি কলম্বিয়া ও মেক্সিকোর মাদক পাচারকারী গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে জোট বেঁধে মাদক পরিবহণের রুট ও পাচার কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। এই মাদকের ৮০ শতাংশই আসে কলম্বিয়া থেকে এবং বাকিটা আসে পেরু থেকে। চলতি বছরের প্রথমার্ধে পুলিশ ৮০ টন মাদক জব্দ করার কথা জানিয়েছিল। যেখানে এর আগের বছরগুলিতে কর্তৃপক্ষ বিপুল পরিমাণ মাদক, যার মধ্যে প্রধানত কোকেন ছিল। ২০২৪ সালে এই পরিমাণ প্রায় ২৯৫ টনে পৌঁছেছিল।
(Feed Source: zeenews.com)
