
তিনি আরও দাবি করেন যে, ইরানকে পরাজিত করার পর তিনি হরমুজকে “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড” হিসেবে “ঘোষণা” করবেন। প্রসঙ্গত, ইরান গত কয়েক দিন ধরে বলে আসছে যে, আমেরিকার সঙ্গে তাদের আলোচনা পুনরায় শুরু হয়নি। ফলে এই প্রণালী দিয়ে তেলবাহী ট্যাঙ্কারের চলাচল বন্ধ রয়েছে। এদিকে ট্রাম্পর হরমুজ প্রণালী আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ‘শপথ’ করার পর, ইরান শনিবার আমেরিকার প্রতি ‘পরাজয়ের বাস্তবতা’ মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
হরমুজ নিয়ে আমেরিকা-ইরান দ্বৈরথ অব্যাহ…
অপরিশোধিত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হওয়া সঙ্কট আরও তীব্র হয়েছে। এর মধ্যেই ইরান ঘোষণা করেছে যে, কেবল তাদের নির্দেশেই এই পথ খোলা বা বন্ধ করা হবে। ইরানের উপ বিদেশমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি ‘এক্স’ হ্যান্ডেলে বলেছেন, “যতদিন না আপনারা পরাজয়ের বাস্তবতা মেনে নিচ্ছেন এবং অবাস্তব কল্পনা বা বিভ্রমের বশবর্তী হওয়া বন্ধ করছেন, ততদিন ইরান এই অবরোধ অব্যাহত রাখবে।” এদিকে, ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘাচি বলেছেন যে, আমেরিকার সঙ্গে পুনরায় আলোচনা শুরুর বিষয়ে ইরান কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। শনিবার প্রকাশিত ইরানি সংবাদমাধ্যম ‘শহরারা নিউজ’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ওই জলপথে জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু করতে হলে আমেরিকাকে প্রণালী-সংক্রান্ত শর্তগুলি অবশ্যই পূরণ করতে হবে।
এদিকে ট্রাম্প এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানের ওপর আরও আর্থিক আঘাত হানার অঙ্গীকার করেছেন। এর মধ্যে বেসেন্ট ‘নিউজম্যাক্স’-কে জানিয়েছেন যে, তেহরানের বিরুদ্ধে আরও পদক্ষেপের ঘোষণা আগামী সপ্তাহে করা হবে।
তবে আপাত-আপসহীন মনোভাব সত্ত্বেও, ইরানকেও এই সংঘাতের ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক মাশুল গুনতে হচ্ছে।
(Feed Source: abplive.com)
