)
Blinkit, Zepto, Instamart রোজই করছেন দেদারে? জানেন কি চরম অস্বাস্থ্য়কর স্টোরের ফ্রিজেই ঘর করেছে আরশোলা-ইঁদুরের! আর সেই খাবারই আপনি…
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: মুদির দোকানের বাজারহাট থেকে শুরু করে আইসক্রিম কেনা! এখন প্রতিদিন সবকিছুর জন্যই মানুষের ভরসা ‘কুইক-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলি’। ফলে খাবার সংরক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতার মান বজায় রাখার ক্ষেত্রেও গ্রাহকদের প্রত্যাশা বেড়েছে। তবে সম্প্রতি মহারাষ্ট্রের থানে জেলার এক ব্লিংকিট স্টোরের ঘটনায় আত্মারাম খাঁচাছাড়া করে দিয়েছে। থানের কল্যাণ এলাকার গোদরেজ হিলে অবস্থিত ব্লিংকিটের স্টোরে আইসক্রিম রাখার ফ্রিজারের ভিতর একটি ইঁদুরকে ছোটাছুটি করতে দেখা গিয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনা খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে যেমন উদ্বেগ বাড়িয়েছে তেমনই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিও উঠেছে। জানা গিয়েছে একদল তরুণ আইসক্রিম কিনতে গিয়েছিলেন ওই স্টোরে। তখনই ঘটনাট প্রকাশ্যে আসে। প্যাকেটজাত পণ্যে ঠাসা ফ্রিজারট দেখার সময়ে তাঁরা অবাক হয়ে লক্ষ্য করেন যে, খাবারের খুব কাছেই ফ্রিজারের ভিতরে একটি ইঁদুর ছোটাছুটি করছে। সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টি বুঝতে পেরেই ওই তরুণরা তাঁদের মোবাইল ফোনে ঘটনার ভিডিয়ো শ্যুট করেন। এরপর সেই ভিডিয়ো ফুটেজ ভাইরাল হতেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে এবং অনেকেই ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ)-এর কাছে ওই স্টোরের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
ইঁদুর ছুটছে, আরশোলা ঘুরছে
এফডিএ-র স্টোর পরিদর্শনের আওতায় থাকা কেন্দ্রগুলির মধ্যে ছিল মুম্বইয়ের ঘাটকোপার এলাকার একটি ব্লিংকিট স্টোরও। পরিদর্শনের সময় এফডিএ আধিকারিকরা সেখানে অপর্যাপ্ত নিষ্কাশন ও বর্জ্য অপসারণ ব্যবস্থা, হিমায়িত পণ্যের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সমস্যা যেমন দেখেছেন, তেমনই প্যাকেটবিহীন খাদ্য সংরক্ষণের এলাকায়দুর্বল রক্ষণাবেক্ষণ বা পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থার মতো ত্রুটিগুলিও খুঁজে পান। পরিদর্শনে ৭৪-এর মধ্যে ৩৪ (বা ৪৬ শতাংশ) স্কোর করায় কেন্দ্রটিকে নিয়ম-কানুন পালনে ব্যর্থ বা ‘নন-কমপ্লায়েন্ট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। কর্মকর্তারা ওই কেন্দ্রে আরশোলার উপদ্রব থাকার কথাও জানিয়েছেন। সেখানকার ছাদ ও মেঝে ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে এবং খাদ্যপণ্যগুলি যথাযথভাবে আলাদা করে সংরক্ষণ করাও হচ্ছিল না। মালাড ওয়েস্ট-এ অবস্থিত ব্লিংকিট-সংশ্লিষ্ট আরেকটি কেন্দ্রে একাধিক নিয়ম লঙ্ঘনের বিষয়টি শনাক্ত হওয়ার পর পরিদর্শকরা প্রতিষ্ঠানটির এফএসএসএআই লাইসেন্স স্থগিত করেন। তাঁরা দেখতে পান যে, চিলার রুম ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় চলছে, যা নির্ধারিত তাপমাত্রার চেয়ে বেশি। এছাড়া কেন্দ্রটি প্রায় ৪০ জন খাদ্যকর্মীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার নথিপত্রও দেখাতেও ব্যর্থ হয়। জানা গিয়েছে বেশ কয়েকজন কর্মীকে গ্লাভস, অ্যাপ্রন ও মাথার সুরক্ষামূলক টুপির (হেডগিয়ার) মতো সাধারণ সুরক্ষাসামগ্রী ছাড়াই কাজ করতে দেখা গিয়েছে।
(Feed Source: zeenews.com)
