Director becomes Actor: ক্যামেরার পিছন থেকে সামনে এলেন পাভেল, প্রসেনজিতের ছবি ডাক্তার কাকু-তে তিনি থাকবেন কোন চরিত্রে?

Director becomes Actor: ক্যামেরার পিছন থেকে সামনে এলেন পাভেল, প্রসেনজিতের ছবি ডাক্তার কাকু-তে তিনি থাকবেন কোন চরিত্রে?

ডাক্তারকাকু শুধু চিকিৎসা পেশার গল্প নয়। এটি বাবা-ছেলের সম্পর্ক, বন্ধুত্ব, ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা এবং নিজের বিবেকের কাছে সৎ থাকার গল্প।কারণ জীবনে কিছু মুহূর্ত আসে, যখন সাফল্যের চেয়ে বড় হয়ে ওঠে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাহস। আর সেই কঠিন সিদ্ধান্তের পথেই ডাক্তারকাকু খুঁজে পায় তার আসল মানবিকতা।

কলকাতা: বাবার নাম গান্ধিজি, রসগোল্লার মতো ছবি তৈরি করেছেন৷ চিত্রনাট্য লিখেছেন বহু বাংলা ও হিন্দি ছবির৷ পরিচালক ও স্ক্রিপ্ট রাইটার পাভেল এবার অভিনয় করছেন ডাক্তার কাকু ছবিতে৷ ক্যামেরার পিছন থেকে এবার তিনি ক্যামেরার সামনে৷ থিয়েটারে অভিনয় করেছেন আগে, কিন্তু ছবিতে এই প্রথম দেখা যাবে অভিনেতা পাভেলকে৷
ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে ছবির লুক৷ এনা সাহা প্রযোজিত এই ছবি মুক্তি পাবে ১৮ সেপ্টেম্বর৷ এই ছবিতে অভিনয় করেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, ঋদ্ধি সেন, পাভেল এবং এনা নিজে৷ ডাঃ দিলীপের চরিত্রে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, তাঁর ছেলে ও ছেলের বন্ধু পুষ্কিন ও পচার চরিত্রে অভিনয় করেছেন ঋদ্ধি ও পাভেল৷ ঋদ্ধি ও পাভেলের বন্ধুত্বের এক বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে এই ছবিতে৷
পাভেল জানান যে, থিয়েটার-সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন৷ এছাড়া নিজের ফিল্মের জন্য যে ওয়ার্কশপ করা হয়, তা তিনি নিজেই করান৷ ফলে পরিচালনার সময়ও একপ্রকার অভিনয়ে তিনি যুক্ত থাকেন৷ তবে তিনি মনে করেন যে সরাসরি ক্যামেরার সামনে অভিনয় করার মজা আলাদা৷ ছবি তৈরির সময় ছবির গল্প এবং সব চরিত্রের উপর নজর থাকে, কিন্তু অভিনেতার জন্য কোনও একটা চরিত্র হয়ে ওঠার মধ্যে আলাদা মজা থাকে৷ ফলে এই ছবিতে খুব মজা করে কাজ করেছেন পাভেল৷
মানুষের জীবন বাঁচানোর দায়িত্ব যাঁদের কাঁধে, তাঁদের নিজেদের জীবনের সিদ্ধান্তগুলোও কি সবসময় সহজ হয়? ডাক্তারকাকু সেই প্রশ্নকেই ঘিরে তৈরি এক আবেগঘন মানবিক গল্প। গল্পের কেন্দ্রে ডাঃ দিলীপ সাহা—একজন আদর্শবাদী চিকিৎসক, যাঁর কাছে ডাক্তারি পেশা শুধু পেশা নয়, মানুষের প্রতি এক আজীবনের অঙ্গীকার। তাঁর ছেলে পুষ্কিনের বেড়ে ওঠার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে পচার জীবনও। নিজের সন্তান না হয়েও পচাকে আপন করে নেন ডাঃ দিলীপ। একই ছাদের নিচে বেড়ে উঠতে উঠতে পুষ্কিন ও পচার সম্পর্ক হয়ে ওঠে দুই ভাইয়ের মতো। দু’জনেরই স্বপ্ন—চিকিৎসক হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। সময়ের সঙ্গে সেই স্বপ্ন বাস্তবের মুখোমুখি হয়। পেশাগত জীবনে প্রবেশ করে পুষ্কিন ও পচা বুঝতে শুরু করে, একজন ভালো ডাক্তার হওয়া শুধু জ্ঞান বা দক্ষতার বিষয় নয়—প্রতিটি সিদ্ধান্তের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে মানুষের জীবন এবং এক গভীর নৈতিক দায়িত্ব।
পাভেল এবার অভিনেতা
এই সময়েই পুষ্কিনের জীবনে আসে শীতল দামানি। শীতল একটি প্রভাবশালী বেসরকারি হাসপাতাল গোষ্ঠীর কর্ণধার মিঃ দামানির মেয়ে। শীতলের সঙ্গে পুষ্কিনের সম্পর্ক যেমন তার ব্যক্তিগত জীবনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে, তেমনই তাকে নিয়ে আসে এক নতুন পেশাগত জগতের সামনে। প্রথমে সবকিছুই যেন ভবিষ্যতের নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেয়। কিন্তু সেই সম্ভাবনার সঙ্গে ধীরে ধীরে জড়িয়ে পড়ে এমন কিছু পরিস্থিতি, যেখানে সম্পর্ক, স্বার্থ, পেশাগত দায়িত্ব এবং বিবেক একে অপরের মুখোমুখি দাঁড়ায়।
পুষ্কিন ও পচার বন্ধুত্ব, শীতলের সঙ্গে পুষ্কিনের সম্পর্ক এবং ডাঃ দিলীপের মূল্যবোধ—সবকিছু মিলিয়ে গল্প এগিয়ে যায় এক গুরুত্বপূর্ণ সংঘাতের দিকে। এমন এক জায়গায়, যেখানে প্রতিটি সিদ্ধান্তেরই রয়েছে পরিণতি।

(Feed Source: news18.com)