Raibenshe Folk Dance: লাঠির ছন্দে রোমাঞ্চকর কসরত, ঐতিহ্য বাঁচিয়ে দেশজুড়ে নাম কুড়োচ্ছে বাংলার গ্রামের ছেলেরা! জানলে গর্বে বুক ভরবে

Raibenshe Folk Dance: লাঠির ছন্দে রোমাঞ্চকর কসরত, ঐতিহ্য বাঁচিয়ে দেশজুড়ে নাম কুড়োচ্ছে বাংলার গ্রামের ছেলেরা! জানলে গর্বে বুক ভরবে

Raibenshe Folk Dance: খড়গ্রামের ১৫ জন যুবকের হাত ধরে বেঁচে রয়েছে কয়েকশো বছরের প্রাচীন লাঠি ও শারীরিক কসরতের ঐতিহ্যবাহী রায়বেঁশে লোকনৃত্য। দেশজুড়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পারফর্ম করেই চলছে তাঁদের সংসার ও ঐতিহ্য রক্ষার সংগ্রাম। বিলুপ্তপ্রায় রায়বেঁশে প্রদর্শন করে রোজগারের পাশাপাশি ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখার চেষ্টা।

মুর্শিদাবাদ, কৌশিক অধিকারী: মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামের নগরের বাসিন্দা। কিন্তু তাদের সংসার চলে বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে রায়বেঁশে নৃত্য পরিবেশন করেই। নগর গ্রামের আবু সালেক তার দল যুবকরা বিভিন্ন জায়গায় রনপা সহ বিভিন্ন কশরা নৃত্য পরিবেশন করে মানুষের মন জয় করেন। আর যা অর্থ উপার্জন হয় তা দিয়েই যেমন চলে সংসার। আর এভাবেই হারিয়ে যেতে বসা লোক সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রেখেছেন প্রায় ১৫জন যুবক।
কয়েকবছর আগে পর্যন্ত পাড়া-মহল্লার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ডাক পড়ত রায়বেঁশে কলাকুশলীদের ৷ যুবক-যুবতীরা এসে শারীরিক কসরত দেখাতেন, ঢোল-কাঁসর ঘণ্টার তালে নাচতেন৷ সেসব দেখতে ভিড়ও জমত খুব ৷ আবু সালেক ও তাঁর দল ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রিয়েলিটি শোতে অংশ গ্রহণ করেছেন। ব্যাপক জনপ্রিয়তাও লাভ করেছেন। তাঁরা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে বেড়ান এই খেলা দেখানোর জন্য। ফলে এটাই এখন প্রধান রোজগার রায়বেঁশে শিল্পীদের।
রায়বেঁশেকে তার হারানো মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা এই প্রথম নয় ৷ এর আগে এই লোকনৃত্যকে প্রচারের আলোয় আনার চেষ্টা করেছিলেন ব্রতচারী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা গুরুসদয় দত্ত ৷ তিনি চেয়েছিলেন গ্রাম বাংলার হারিয়ে যেতে বসা লোকনৃত্যগুলিকে ব্রতচারীর সঙ্গে সংপৃক্ত করতে ৷ তারই পদক্ষেপ হিসেবে রায়বেঁশেকেও ব্রতচারীর সঙ্গে যুক্ত করতে চেয়েছিলেন ৷ তবে তা স্থায়ী হয়নি৷ কারণ, ব্রতচারীও ক্রমাগত ফিকে হতে শুরু করে ৷ স্বাভাবিকভাবেই লোকস্মৃতি থেকে হারিয়ে যেতে শুরু করে রায়বেঁশে ৷
(Feed Source: news18.com)