পরকীয়ার জেরে স্বামীকে খুন! ফরিদাবাদে বাড়ির কাছে গর্ত খুঁড়ে দেহ পুঁতে দিল স্ত্রী ও প্রেমিক

পরকীয়ার জেরে স্বামীকে খুন! ফরিদাবাদে বাড়ির কাছে গর্ত খুঁড়ে দেহ পুঁতে দিল স্ত্রী ও প্রেমিক

পরকীয়া সম্পর্কের জেরে ফের খুনের অভিযোগ ফরিদাবাদে। প্রেমিকের সঙ্গে যোগসাজশ করে স্বামীকে খুনের পর বাড়ির কাছে গর্ত খুঁড়ে তাঁর দেহ পুঁতে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক মহিলার বিরুদ্ধে। ঘটনার খবর পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দু’জনকে গ্রেফতার করেছে ক্রাইম ব্রাঞ্চের ডিএলএফ ইউনিট।

ফরিদাবাদে ফের পরকীয়া সম্পর্ককে কেন্দ্র করে খুনের অভিযোগ। প্রেমিকের সঙ্গে মিলে স্বামীকে খুন করে বাড়ির কাছে মাটি খুঁড়ে তাঁর দেহ পুঁতে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক মহিলার বিরুদ্ধে। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দু’জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে ক্রাইম ব্রাঞ্চের ডিএলএফ ইউনিট।
নিহতের নাম শ্যামবীর (৪২)। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন উত্তরপ্রদেশের হাতরাস জেলার বাসিন্দা কেশব এবং মহোবা জেলার বাসিন্দা কামাত। কেশব সম্পর্কে নিহতের স্ত্রী বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অব পুলিশ (ক্রাইম) আমন যাদব জানিয়েছেন, কামাত মোজাবাদ গ্রামে শ্যামবীরের বাড়িতেই থাকতেন। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, শ্যামবীরের স্ত্রীর সঙ্গে কামাতের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।
পুলিশের দাবি, স্বামী তাঁদের সম্পর্কের কথা জানতে পেরে যাওয়ার পর থেকেই শ্যামবীর ও তাঁর স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝামেলা হত। আরও দাবি, শ্যামবীরকে খুনের পরিকল্পনা করেছিল অভিযুক্তরা। গত ১৬ অগস্ট সন্ধ্যায় কামাত তাঁকে মদ খাওয়ান বলে অভিযোগ। শ্যামবীর নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ার পর ইন্টারলকিং টাইল দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ।
হামলার সময় যাতে প্রতিবেশীরা কোনও শব্দ শুনতে না পান, সে জন্য কেশব বাইরে থেকে বাড়ির দরজা আটকে দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ পুলিশের। খুনের পর বাড়ির কাছে আগে থেকে খোঁড়া একটি গর্তে শ্যামবীরের দেহ পুঁতে দিয়ে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করা হয় বলে তদন্তকারীদের দাবি।
গত ২৪ অগস্ট ফরিদাবাদ কন্ট্রোল রুম থেকে টিগাঁও থানায় মাটির নীচে একটি দেহ পুঁতে রাখার খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। ডিউটি ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মাটি খুঁড়ে শ্যামবীরের দেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর উত্তরপ্রদেশের হাতরাস জেলার ধাধাউ গ্রামের বাসিন্দা শ্যামবীরের ভাই রামবীরের অভিযোগের ভিত্তিতে খুন-সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করে পুলিশ।
তদন্তে নেমে ক্রাইম ব্রাঞ্চের ডিএলএফ ইউনিট ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কেশব ও কামাতকে গ্রেফতার করে। কী ভাবে খুনের ঘটনা ঘটল এবং দেহ লুকিয়ে রাখার ঘটনায় আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
(Feed Source: news18.com)
পরকীয়ার জেরে স্বামীকে খুন! ফরিদাবাদে বাড়ির কাছে গর্ত খুঁড়ে দেহ পুঁতে দিল স্ত্রী ও প্রেমিক