)
Nepal Flash Flood: কাঠমান্ডুতে ইতিমধ্যেই পৌঁছানো ‘চলো যাই’ সংস্থার চার সদস্যের তরফে একজন মৌসুমীদেবী যে হাসপাতালে রয়েছেন সেখানে রওনা দিয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর মানসিক ধাক্কা পেয়েছেন তিনি।
চিত্তরঞ্জন দাস, দেবাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়: নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর থেকেই যোগাযোগ-বিচ্ছিন্ন দুর্গাপুরের বামুনারার বাসিন্দা পর্যটক দম্পতি। চলতি মাসের ২১ তারিখ একটি ট্রাভেল সংস্থার মাধ্যমে মানস সরোবর বেড়াতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন বামুনারার তপবন সিটির বাসিন্দা অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী মৌসুমী গঙ্গোপাধ্যায়। নেপাল হয়ে তাঁদের গন্তব্যে পৌঁছানোর কথা ছিল। কিন্তু নেপালের আকস্মিক দুর্যোগের পর থেকেই তাঁদের সঙ্গে কোনোভাবেই আর যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছিল না। প্রিয়জনদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় প্রবল উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছিলেন তাঁদের পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও গোটা তপবন সিটি এলাকার বাসিন্দারা।
স্থানীয় বাসিন্দা গৌতম অধিকারী জানান, দম্পতি রওনা হওয়ার পর পর দু’দিন ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল। ফোন বাজলেও কেউ তা ধরেননি। এর পরেই নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়ের খবর সামনে আসায় তাঁদের নিয়ে আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়। দুর্গাপুর থেকে ওই ট্রাভেল সংস্থার মাধ্যমে মোট ছয়জন ভ্রমণে বেরিয়েছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের সুস্থ শরীরে বাড়ি ফেরার জন্য ঈশ্বরের কাছে ব্যাকুল প্রার্থনা শুরু করেন।
অবশেষে গভীর রাতে মেলে স্বস্তির খবর। রাত জেগে ইউটিউবে ভিডিয়ো দেখছিলেন মৌসুমী গঙ্গোপাধ্যায়ের পারিবারিক বন্ধু তথা কলকাতার কালিন্দীর বাসিন্দা মৌসুমী ঠাকুর। হঠাৎই ইউটিউবে তিনি মৌসুমী দেবীর উদ্ধার হওয়ার ছবি দেখতে পান। ছবি দেখে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে গভীর রাতে দুর্গাপুরে গঙ্গোপাধ্যায় পরিবারের আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
পরিবারের সদস্যরা ভিডিয়োর ছবি দেখে মৌসুমীদেবীকে শনাক্ত করেন এবং দ্রুত বিষয়টি সংশ্লিষ্ট পর্যটন সংস্থাকে জানান। এরপরই পর্যটন সংস্থার তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে মৌসুমী গঙ্গোপাধ্যায়ের উদ্ধারের খবর ঘোষণা করা হয়।
ইতিমধ্যেই ওই পর্যটন সংস্থা ‘চলো যাই’-এর চারজন সদস্য কাঠমান্ডুতে পৌঁছেছেন। তাঁদের মধ্যে একজন প্রতিনিধি মৌসুমীদেবী যে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, সেখানে রওনা দিয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে, তিনি ভয়াবহ মানসিক ধাক্কা পেয়েছেন, তবে বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।
(Feed Source: zeenews.com)
