
রামবীর সিং বিধুরি দক্ষিণ দিল্লির সাংসদ, কমলাজিৎ শেহরাওয়াত পশ্চিম দিল্লি এবং যোগেন্দ্র চান্ডোলিয়া উত্তর পশ্চিম দিল্লির বিজেপি সাংসদ৷
প্রয়াত কংগ্রেস সাংসদ সজ্জন কুমারের বাড়িতে যাওয়ার জন্য দলের তিন সাংসদকে ভর্ৎসনা করল বিজেপি৷ এ দিন বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন এই কড়া পদক্ষেপ দিয়েছেন৷ কংগ্রেস সাংসদের মৃত্যুর পর পরিবারকে সমবেদনা জানাতে তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন তিন বিজেপি সাংসদ কমলাজিৎ শেহরাওয়াত, রামবীর সিং বিধুরি এবং যোগেন্দ্র চান্ডোলিয়া৷
সজ্জন কুমার ১৯৮৪ সালের শিখ নিধনের ঘটনার দুটি মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ছিলেন৷ গত ২০ অগাস্ট তাঁর মৃত্যু হয়৷ বিতর্কিত সেই প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদের পরিবারকে দলের তিন সাংসদ সমবেদনা জানাতে যাওয়ায় বিজেপি-র অন্দরেই তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়৷ দলের নেতা, কর্মীরাই তিন সাংসদের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সরব হন৷ বিশেষত পঞ্জাবে বিধানসভা নির্বাচনের আগে তিন সাংসদ সজ্জন কুমারের বাড়ি যাওয়ায় অস্বস্তি বাড়ে বিজেপি-র৷ এর পরই তিন সাংসদের এই পদক্ষেপে ক্ষোভ প্রকাশ করে তাঁদের সাসপেন্ড করেন সভাপতি নিতিন নবীন৷
দলের তিন সাংসদের সজ্জন কুমারের বাড়ি যাওয়ায় গতকালই তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন বিজেপি নেতা এইচ এস ফুলকা৷ শিখ নিধনের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির হয়ে সক্রিয় ভাবে কাজ করা ফুলকা গত এপ্রিল মাসেই বিজেপি-তে যোগ দিয়েছেন৷ দলের তিন সাংসদকে নিশানা করে তিনি বলেন, ‘গণহত্যাকারী সজ্জন কুমারের বাড়ি গিয়ে সমবেদনা জানানোর জন্য তিন সাংসদের ভূমিকার তীব্র নিন্দা করছি৷’
তিনি আরও দাবি করেন, বিজেপি যেখানে বরাবর ১৯৮৪ সালের শিখ নিধনের ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে থেকেছে এবং অভিযুক্তরা যাতে ছাড়া না পায় তা নিশ্চিত করেছে, সেখানে ওই তিন সাংসদের সজ্জন কুমারের বাড়ি যাওয়ার কোনও যৌক্তিকতাই নেই৷ এইচ এস ফুলকা বলেন, ‘শিখ নিধনের ঘটনার শিকার যাঁরা, তাঁদের পরিবারকে এই সমবেদনা জানানো উচিত৷ কারণ এখনও ওই ঘটনার আতঙ্ক এই পরিবারগুলিকে তাড়া করে বেড়ায়৷ এই তিন সাংসদকেই বয়কট করা উচিত৷’
১৯৮৪ সালের হিংসায় দিল্লির রাজনগরে দু জন শিখ ধর্মাবলম্বী ব্যক্তিকে খুন করার অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাবাসের সাজা দেওয়া হয় সজ্জন কুমারকে৷ এর পাশাপাশি শিখ নিধনের ঘটনার অন্য একটি মামলাতেও যাবজ্জীবন কারাবাসের সাজা পান তিনি৷
(Feed Source: news18.com)
