
Which country can you explore by walking in one day: সাধারণ জ্ঞান নিয়ে আমাদের সকলেরই কম-বেশি কৌতুহল রয়েছে। তেমনই একটি প্রশ্ন এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। যার উত্তর দিতে গিয়ে হিমশিম খেয়েছে অনেকেই।
যেকোনো সরকারি বা বেসরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ‘জেনারেল নলেজ’ বা সাধারণ জ্ঞান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন অজানা ও বিস্ময়কর তথ্য শুধু পরীক্ষার্থীদের নলেজ বাড়াতেই সাহায্য করে না, বরং প্রকৃতির বিচিত্র বৈচিত্র্য সম্পর্কে নতুন নতুন জানার কৌতুহলও মেটায়।
বিশ্বের বুকে এমনই এক অনন্য বিস্ময় লুকিয়ে রয়েছে ইউরোপ মহাদেশে। এমন একটি দেশ রয়েছে, যা পুরোটা ঘুরে দেখতে গাড়ি বা কোনো যানবাহনের প্রয়োজন হয় না, বরং এক দিনেরও কম সময়ে সম্পূর্ণ দেশটি পায়ে হেঁটেই ঘুরে ফেলা সম্ভব। বলুন তো দেখি, এই দেশটির নাম কি? সঠিক উত্তর দিতে ব্যর্থ অনেকেই।

চোখ জুড়ানো রূপকথার মতো দেখতে এই অপরূপ সুন্দর দেশটির নাম ‘লিশটেনস্টাইন’। বিশ্বের ষষ্ঠ এবং ইউরোপের চতুর্থ ক্ষুদ্রতম এই স্বাধীন রাষ্ট্রের উত্তর ও পশ্চিমে সুইজারল্যান্ড এবং পূর্বে ও উত্তরে অস্ট্রিয়া অবস্থিত। চারদিকে স্থলভাগ দিয়ে ঘেরা এই ছোট্ট দেশের রাজধানী হলো ভাদুজ। নিজস্ব ইতিহাস, সংস্কৃতি, মুদ্রা এবং স্বাধীন সার্বভৌমত্ব থাকা সত্ত্বেও লিশটেনস্টাইনের জনসংখ্যা মাত্র ৪০ হাজারের কাছাকাছি এবং এখানকার মানুষ জার্মান ভাষায় কথা বলেন।
লিশটেনস্টাইনের ভৌগোলিক আয়তন এতটাই কম যে, এর উত্তর প্রান্ত থেকে দক্ষিণ প্রান্তের দৈর্ঘ্য মাত্র ১৫ মাইল এবং পূর্ব থেকে পশ্চিম প্রান্তের বিস্তার সাড়ে তিন মাইল (আড়াই মাইল)। রাইন নদী দেশটিকে সুইজারল্যান্ড থেকে আলাদা করেছে এবং এখানকার স্থানীয় মুদ্রা হলো ‘সুইস ফ্রাঙ্ক’।
আল্পস পর্বতমালার কোল ঘেঁষে তৈরি হওয়া সবুজ প্রান্তর ও প্রাচীন কেল্লায় ঘেরা এই দেশটি যেন ক্যানভাসে আঁকা কোনো ছবি। ছোট্ট আয়তন এবং স্বর্গীয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে বিশ্বের বহু পর্যটক প্রকৃতির কোলে হারিয়ে যেতে এবং পায়ে হেঁটে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিতে প্রতি বছর লিশটেনস্টাইনে ভিড় জমান।
(Feed Source: news18.com)
