
T-Shirts: সব বয়সের, সব প্রজন্মর ‘আল্টিমেট কমফর্ট ওয়্যার’ হল টি-শার্ট! ঝটপট পরা যায়, দাম বাজেটে, ভীষণ আরামদায়ক! কিন্তু জানেন কি, T-শার্টে T-এর মানে কী? আপনি যা যাবছেন তা নয় কিন্তু…
একেবারে একরত্তি বাচ্চা হোক কী স্কুল-কলেজ পড়ুয়া, কিংবা মধ্যবয়স্ক বা বুড়ো…ছেলে-মেয়ে, নারী-পুরষ নির্বিশেষে সবার পছন্দের পোশাকের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে টি-শার্ট। ঢোলাঢোলা আরামদায়ক এই পোশাকের কোনও বিকল্প নেই, এটাই আজকাল ‘কমফর্ট আইকন’। এখন বাজারে ইউনিসেক্স টি-শার্টের চলই বেশি।
টি-শার্টের জন্ম সেই উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে। সেই সময় এটি অন্তর্বাস হিসেবে ব্যবহৃত হত। পরতে আরাম, তাই শ্রমিক, সৈনিক এবং নৌবাহিনীর সদস্যদের মধ্যে এটি তুমুল জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ১৯১৩ সালে মার্কিন নৌবাহিনী এটিকে তাদের সরকারি আন্ডারশার্ট হিসেবে গ্রহণ করে। এরপর থেকেই টি-শার্টের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়তে শুরু করে।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে টি-শার্ট শুধু অন্তর্বাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। ১৯৫০-এর দশকে হলিউডি সিনেমা এবং জনপ্রিয় অভিনেতাদের হাত ধরে টি-শার্ট পরিণত হল ফ্যাশন স্টেটমেন্টে।
বাজারে একাধিকরকম টি-শার্ট পাওয়া যায়। বাহারি তাদের ডিজাইন, বাহারি তাদের নাম। যেমন গোল-গলা টি-শার্ট, ভি-নেক টি-শার্ট, পোলো টি-শার্ট, গ্রাফিক টি-শার্ট। টি-শার্টের ডিজাইনও চিখ ধাঁধানো! কখনও প্রিন্ট কখনও লোগো। টি-শার্টের উপর লেখা ওয়ান লাইনার-ও কিন্তু ভীষণ রকম হিট।
আজ টি-শার্ট নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সব বয়সের মানুষের কাছে জনপ্রিয়। প্রতিদিন বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষ টি-শার্ট পরেন। কোম্পানি, রাজনৈতিক সংগঠন, ক্রীড়া দল এবং বিভিন্ন সামাজিক আন্দোলন নিজেদের বার্তা ছড়াতে টি-শার্ট ব্যবহার করে। বেশিরভাগ টি-শার্ট কটনের। তবে বর্তমানে পলিয়েস্টার, বাঁশের তন্তু এবং পুনর্ব্যবহৃত কাপড় দিয়েও টি-শার্ট তৈরি হচ্ছে।
১৯৫০-এর দশকে Marlon Brando এবং James Dean-এর মতো অভিনেতারা চলচ্চিত্রে টি-শার্ট পরার পর এটি তরুণদের মধ্যে ফ্যাশনের প্রতীক হয়ে ওঠে।- জিন্সের সঙ্গে টি-শার্টকে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া পোশাকের তালিকায় ধরা হয়।
আজ টি-শার্ট শুধু পোশাক নয়; এটি ব্যক্তিত্ব, পছন্দ, মতাদর্শ এবং সংস্কৃতি প্রকাশেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
(Feed Source: news18.com)
