
সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের ১০ বছর পূর্ণ হওয়ার একদিন আগে এই অভিযানকে ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী অবস্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। ২০১৬ সালের ২৮-২৯ সেপ্টেম্বর ভারতীয় সেনার ওই অভিযানের কথা স্মরণ করে মোদি বলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের দৃঢ় অবস্থান এই অভিযানের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ ভারত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে এবং এই নীতির ফলও আমরা দেখতে পাচ্ছি।”
লাইন অফ কন্ট্রোল (LoC) পেরিয়ে ভারতীয় সেনার এই অভিযান গোটা বিশ্বকে বিস্মিত করেছিল বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের নীতিতে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক একটি নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করেছিল। মোদি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসবাদী হামলার কারণে যে পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে ভারতকে যেতে হয়েছে, তারই “দৃঢ় জবাব” ছিল এই অভিযান। ২০১৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর জম্মু-কাশ্মীরের উরিতে সেনা শিবিরে সন্ত্রাসবাদী হামলার পর নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে এই অভিযান চালানো হয়েছিল। ওই অভিযানে নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে থাকা সন্ত্রাসবাদীদের লঞ্চ প্যাডগুলিকে লক্ষ্য করা হয়।
‘একসময় ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ছিল সাধারণ ঘটনা’
সন্ত্রাসবাদের প্রসঙ্গ বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী দেশের একাধিক বড় হামলার কথাও স্মরণ করেন। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরেই সন্ত্রাসবাদী হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভারত। মোদি বলেন, “একসময় ভারতে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ একটি সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।”
তিনি ২০০৮ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে হওয়া ধারাবাহিক বিস্ফোরণের কথা উল্লেখ করেন। ওই হামলায় বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছিল। পাশাপাশি ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর মুম্বইয়ে হওয়া ভয়াবহ সন্ত্রাসবাদী হামলার কথাও স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
মোদি বলেন, অতীতে সন্ত্রাসবাদী হামলার পর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠলেও সেই দাবিগুলির দিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তাঁর কথায়, মানুষ তখন সময় পেরিয়ে যাওয়ার অপেক্ষা করতেন। এর সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকের ভারত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে এগিয়ে চলেছে এবং তার ফলও আমরা দেখতে পাচ্ছি।”
(Feed Source: zeenews.com)
