নতুন ভোটারদের নাম তোলার জন্য ফর্ম ৬-এর অনলাইন ভার্সনে যে অদল বদল করা হয়েছে, আইনজীবী মানেকা গুরুস্বামী এ দিন তা সুপ্রিম কোর্টের নজরে আনেন৷
ফর্ম ৬ নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল শীর্ষ আদালত৷
নতুন ভোটারদের নাম তোলার জন্য নির্বাচন কমিশনের ফর্ম ৬-এ যে অদলবদল করা হয়েছে, তা সুপ্রিম কোর্ট অনুমোদন করেনি৷ সোমবার এই ব্যাখ্যা দিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ৷
সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ফর্ম ৬-এ তারা যে অদলবদল করেছিল, তাতে মান্যতা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট৷ যদিও সুপ্রিম কোর্টের এ দিন শীর্ষ আদালতের ব্যাখ্যার পর কমিশনের সেই দাবি প্রশ্নের মুখে পড়ে গেল৷
মুখ্য নির্বাচন কমিশার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং একতরফা সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগ তুলে দায়ের হওয়া মামলাগুলির শুনানি চলাকালীন ফর্ম ৬ নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে শীর্ষ আদালত৷ প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, সংশোধিত কোনও ফর্ম ৬-কে আমরা মান্যতা দিইনি৷ আমাদের সামনে যখন এই সংক্রান্ত নথি আসবে তখন আমরা দেখতে চাই কারা এই অদলবদল করেছিলেন৷
নিজের সাংবিধানিক এবং বিধিবদ্ধ ক্ষমতা ব্যবহার করে বাকি নির্বাচন কমিশনারদের মতামত উপেক্ষা করেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিজের মতামতকেই কার্যকর করতে পারেন কি না, সেই প্রশ্ন তুলে দায়ের হওয়া একাধিক মামলার শুনানি এ দিন ছিল প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে৷
এর পাশাপাশি এসআইআর বৈধ ভোটারদেরও নাম বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে বেনিয়মের অভিযোগে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের আর্জি জানান মামলাকারীরা৷ এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন ভোটার তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে যেভাবে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেই পদ্ধতিকেও চ্যালেঞ্জ করেন মামলাকারীরা৷
১৮ বছর বা তার ঊর্ধ্বে যাঁরা ভোটাধিকার প্রয়োগের যোগ্য, সেই নতুন ভোটারদের নাম তোলার জন্য ফর্ম ৬ -এর মাধ্যমেই নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করতে হয়৷ কিন্তু এসআইআর-এর সময় ফর্ম ৬-এর অনলাইন ভার্সনে একটি অতিরিক্ত শর্ত যোগ করাকে কেন্দ্র করেই বিতর্কের সূত্রপাত৷ যেখানে আবেদনকারীদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল যে তাদের নিজের, বাবা-মায়ের অথবা দাদু- ঠাকুমার নাম শেষ এসআইআর-এর সময় ভোটার তালিকায় ছিল কি না৷
(Feed Source: news18.com)