
বিমানমন্ত্রী ফেস্টাস কিয়ামোর জানিয়েছেন, বায়ুসেনার এটিআর-৪২ বিমানটি একটি রুটিন মিশনে থাকা অবস্থায় সোমবার সকাল ৯টার দিকে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারদের সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলে। পরবর্তী সময়ে উপকূলীয় শহর ইগবোকোদার কাছে একটি নৌঘাঁটির কাছে বিমানের ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত করা হয় এবং সেখানে উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়। বায়ুসেনা জানিয়েছে যে, তারা দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। দুর্ঘটনাস্থলের বিবরণ দিতে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা মিরর.কো.ইউকে-কে জানান যে, বিমানটি একটি নদীর কাছে আছড়ে পড়েছিল এবং এর ধ্বংসাবশেষের একাংশ জলে তলিয়ে যায় বলে জানা গেছে। স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, ঘটনাস্থলে শরীরের বিভিন্ন অংশ, জামাকাপড় ও জুতো খুঁজে পাওয়া গেছে। তার আগে লোকজন বজ্রপাতের মতো একটি শব্দ শুনতে পেয়েছিলেন।
গত জুন মাসে আমেরিকায় ভেঙে পড়েছিল বোমারু বিমান। আটজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। ক্যালিফোর্নিয়ার বায়ুসেনাঘাঁটিতে ভেঙে পড়ে বিমানটি। ঘটনাস্থল থেকে যে ছবি এবং ভিডিও সামনে আসে, তা এককথায় ছিল, ভয়াবহ। বোমারু বিমানটির কিছুই অবশিষ্ট ছিল না। শুধু কালো ছাই মিশে ছিল মাটিতে। ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায় ছাইয়ের রাশি থেকে। (B-52 Bomber Crashes)
আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার এডওয়ার্ডস বায়ুসেনা ঘাঁটিতে ভেঙে পড়ে বোমারু বিমানটি। লস অ্য়াঞ্জেলস থেকে ৯৫ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিতি সেটি। জানা যায়,বেলার দিকে বায়ুসেনার কর্মীরা খাওয়াদাওয়া সারছিলেন। সেই সময় ভেঙে পড়ে B-52 বোমারু বিমানটি। যে এডওয়ার্ডস বায়ুসেনা ঘাঁটিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে, সেটি আমেরিকার সেনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি, যেখানে থেকে গুরুত্বপূর্ণ অভিযান চালানো হয়। (Plane Accident News)
এডওয়ার্ডস বায়ুসেনা ঘাঁটির তরফে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘বায়ুসেনার B-52 Stratofortress বোমারু বিমানে আট জন সওয়ার ছিলেন। রুটিন টেস্ট মিশন চলছিল। সেই সময় ১১টা বেজে ২০ মিনিট নাগাদ উড়ানের কিছুক্ষণ পরই ভেঙে পড়ে বিমানটি। প্রাথমিক ভাবে বোঝা যাচ্ছে, যে দুর্ঘটনা ঘটেছে, তাতে কারও বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ।’
