
Cheap Fish for Arthritis: বাজারে নামীদামি মাছদের সহজেই টেক্কা দেয় এই সস্তা দরের মাছ৷ উপকারিতার ভান্ডার এই মাছ মুশিকল আসান বহু শারীরিক সমস্য়ার৷ খেলেই জব্দ একাধিক রোগ৷
বাচ্চাদের হাড় ও মাংসপেশি লোহার মতো শক্ত করতে দামি ওষুধ বা সাপ্লিমেন্ট নয়, আমাদের চেনা সস্তার শোল মাছই একাই একশো! গ্রাম বাংলার জলাশয়ে সহজলভ্য এই মাছটি পুষ্টির এক জাদুকরী খনি। চিকিৎসকদের মতে, বাড়ন্ত বয়সের শিশুদের ডায়েটে নিয়মিত শোল মাছ রাখলে তাদের হাড়ের গঠন মজবুত হয় এবং পেশির বৃদ্ধি ঘটে দ্রুত। তাই বাচ্চার সঠিক শারীরিক বিকাশের কথা ভেবে আজই পাতে রাখুন এই চেনা পুষ্টিকর মাছ। সোশাল মিডিয়ায় এ বিষয়ে বলছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সন্তোষ জ্যাকব৷
পেট পরিষ্কার রাখতেই হোক বা অ্যানিমিয়ার সমস্যা দূর করতে—পাতে এক বাটি শোল মাছের ঝোল থাকলেই কেল্লাফতে! জিভের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি এই মাছটি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাকে গোড়া থেকে নির্মূল করে পেট ঠান্ডা রাখে। পুষ্টিবিদদের মতে, শোল মাছ হলো রক্তাল্পতার মোক্ষম দাওয়াই, যা শরীরে রক্তের পরিমাণ হু-হু করে বাড়িয়ে তোলে এবং পিত্তজনিত সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এই কারণেই যে কোনও দুর্বল বা মরণাপন্ন রোগীকে দ্রুত চাঙ্গা করতে এই মাছের জুড়ি মেলা ভার।
মুখের অরুচি দূর করার পাশাপাশি শরীরকে ভিতর থেকে লোহার মতো মজবুত করতে পাতে রাখুন পুষ্টির পাওয়ারহাউজ শোল মাছ! পুষ্টিবিদদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মাত্র ১০০ গ্রাম শোল মাছ খেলেই আপনার শরীরে ঢুকবে ১৬.২ গ্রাম হাই-কোয়ালিটি প্রোটিন এবং ৯৪ ক্যালরি শক্তি। শুধু তাই নয়, হাড় ও রক্তের ঘাটতি মেটাতে এতে ঠাসা রয়েছে ১৪০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ০.5 মিলিগ্রাম আয়রন, সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে মিলবে রেকর্ড ১,০৮০ মাইক্রোগ্রাম জিঙ্ক।
মিষ্টি জলের শোল মাছ আসলে পুষ্টির এমন এক গোপন চাবিকাঠি, যা শরীরের ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডকে নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচায়! বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, এই মাছে থাকা উচ্চমানের অ্যামিনো অ্যাসিড এবং ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরে শক্তিশালী ‘লাইপোফিলিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট’ তৈরি করে। এই জাদুকরী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরে ওমেগা-৩-এর অক্সিডেশন পুরোপুরি রুখে দেয়, যার ফলে আমাদের হৃদযন্ত্র এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দ্বিগুণ শক্তিশালী হয়ে ওঠে।
মানসিক অবসাদ ও হাড়-জোড়ের বাতের ব্যথা থেকে চিরতরে মুক্তি পেতে দামি বিদেশি ওষুধ নয়, পাতে রাখুন আমাদের চেনা শোল মাছ! পুষ্টিবিদদের মতে, এই মাছের ত্বকে এমন এক প্রাকৃতিক উপাদান থাকে, যা সরাসরি মস্তিষ্কের স্নায়ুকে চাঙ্গা করে অ্যান্টি-ডিপ্রেসেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং শরীরের সব ক্লান্তি নিমেষেই দূর করে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল, এই মাছের জাদুকরী ব্যথানাশক গুণের কারণে সারা পৃথিবীর মানুষ বাতের ব্যথার মহৌষধ হিসেবে শোল মাছ খেয়ে থাকেন। বিজ্ঞানীদের দাবি, এই মাছ শুধু পেশির ক্ষয়ই রোধ করে না, বরং এর আয়রন থাইরয়েডকে নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং এটি মহিলাদের ব্রেস্ট ক্যানসারের ঝুঁকিও কমিয়ে দেয়।
(Feed Source: news18.com)
