সত্যি সত্যিই ডেমোগর্গন চলে এল পৃথিবীতে? রহস্যময় প্রাণীর দেখা মিলল, অন্য ডাইমেনশন থেকে?

সত্যি সত্যিই ডেমোগর্গন চলে এল পৃথিবীতে? রহস্যময় প্রাণীর দেখা মিলল, অন্য ডাইমেনশন থেকে?

 

নয়াদিল্লি: আমেরিকার সীমান্তে রহস্যময় প্রাণীর আনাগোনা। এবার ধরা পড়ল ক্যামেরায়। ‘স্ট্রেঞ্জার থিংসে’ দেখা ‘ডেমোগর্গনে’র সঙ্গে ওই প্রাণীর তুলনা করছেন অনেকে। এমন রহস্যময় প্রাণী আগে দেখা যায়নি সেখানে। ফলে ওই অঞ্চলে এমন আরও কিছু রয়েছে কি না, উঠছে প্রশ্ন। (Demogorgon Like Creature)

আমেরিকা এবং মেক্সিকো সীমান্তে ওই রহস্যময় প্রাণীর দেখা মিলেছে। সেটির আকার চিতার মতো। চারটি পা আবার কুমিরের মতো বলে ঠাহর হয়।  কিন্তু মুখ অদ্ভুত রকমের। চোখ দু’টি ভিতরে ঢোকা। মুখের অগ্রভাগ সরু এবং লম্বা। লম্বা লেজও রয়েছে। (Science News)

মেক্সিকোর সাংবাদিক তথা UFO অনুসন্ধানকারী জেমি মউসান ‘ডেইলিমেল’কে জানিয়েছেন, সেটি একটি শিকারি প্রাণী। মূলত রিও গ্রান্ডে নদী বরাবর জুয়ারেজ় এলাকায় আনাগোনা। মুরগি, খরগোশ ধরে খেয়ে বাঁচে। নেটফ্লিক্স সিরিজ ‘স্ট্রেঞ্জার থিংসে’ বর্ণিত ‘ডেমোগর্গনে’র সঙ্গে অদ্ভুত মিল রয়েছে প্রাণীটির। ওই সিরিজে ‘ডেমোগর্গন’কে অন্য মাত্রার জগৎ (Another Dimension) থেকে আসা শিকারি দানব হিসেবে দেখানো হয়েছিল, যা মানুষের মতো সোজা হয়ে দাঁড়াতেও পারে।

আমেরিকা এবং মেক্সিকো সীমান্তে যে প্রাণীটিকে দেখা গিয়েছে, সেটিকে ক্ষিপ্র এবং বুদ্ধিমান বলে বর্ণনা করেছেন জেমি। তাঁর টিমের দাবি, মাথা থেকে লেজ পর্যন্ত ধরলে প্রাণীটির দৈর্ঘ্য প্রায় ছয় ফুট। লেজটিই শুধুমাত্র তিন ফুট দীর্ঘ। সিসিটিভি ক্যামেরায় যে ফুটেজ ধরা পড়েছে, তাতে ইঁটের দেওয়াল বেয়ে উঠতে দেখা গিয়েছে রহস্যময় ওই প্রাণীকে। তবে স্থানীয় প্রশাসনের তরফে এখনও পর্যন্ত কিছু জানানো হয়নি বিষয়টি নিয়ে।

তবে ওই প্রাণীটিকে ভিন্গ্রহ থেকে আগত বলে মানতে রাজি নন জেমি। বরং সেটি অন্য মাত্রার কোনও জগৎ থেকে আগত বুদ্ধিমান প্রাণী হতে পারে বলে মত তাঁর। এখনও পর্যন্ত মানুষের উপর হামলার কোনও ঘটনা ঘটেনি। ফলে সেটি পশু-পাখি খেয়ে বাঁচে বলেই মনে করছেন জেমি।

আগেও এমন চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন জেমি। তবে একাধিক ক্ষেত্রে তাঁর দাবিদাওয়া শেষ পর্যন্ত অসাড় প্রমাণিত হয়েছে। ২০২৩ সালে পেরু থেকে উদ্ধার করা দু’টি অদ্ভুত মমি তুলে ধরেন তিনি। সেগুলি ভিন্গ্রহীদের মমি বলে দাবি করেন। পরবর্তীতে ফরেন্সিক বিশেজজ্ঞরা জানান, কৃত্রিম ভাবে  মানুষ এবং অন্য প্রাণীর হাড়, আঠা দিয়ে সেগুলি তৈরি করা হয়েছিল। একটি প্রাণীদেহকে ‘এল দে সের মেতেপেকে’ নামের ভিন্গ্রহী প্রাণী বলেও দাবি করেছিলেন তিনি। পরে সেটিকে কাঠবিড়ালি জাতীয় এক ধরনের বানরের দেহাবশেষ হিসেবে সেটিকে শনাক্ত করা হয়।

(Feed Source: abplive.com)