Neha Bora Update: ককরোচদের পথে হাঁটবেন না, সাফ জানিয়ে দিলেন নেহা বোরা! চলবে আইনি লড়াই, স্পষ্ট কথা, ‘আমরা কোনও পিস বন্ড সই করব না’

Neha Bora Update: ককরোচদের পথে হাঁটবেন না, সাফ জানিয়ে দিলেন নেহা বোরা! চলবে আইনি লড়াই, স্পষ্ট কথা, ‘আমরা কোনও পিস বন্ড সই করব না’

 

অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (AISA)-র সভাপতি নেহা বরা জানিয়েছেন, দিল্লি পুলিশের চাওয়া ‘শান্তি বজায় রাখার বন্ড’-এ তিনি বা তাঁর ছাত্র সংগঠন কেউই সই করবেন না। দিল্লি হাইকোর্ট তাঁর আবেদন গ্রহণ করতে অস্বীকার করার পরেও এই নোটিসের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

আদালতে খারিজ নেহাদের আবেদননেহা বরা বলেন, ‘‘স্পেশাল এগজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (SEM)-এর আদালতে চলা প্রক্রিয়ায় স্বাভাবিক ন্যায়বিচারের নীতিগুলি মেনে চলতে হবে। পাশাপাশি, তিনি SEM আদালতে হাজিরা দেবেন বলেও জানিয়েছেন। এই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে যে সমস্ত নথি ও তথ্যের ভিত্তিতে পদক্ষেপ করা হচ্ছে, সেগুলি তাঁকে দেখানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।’’

নেহা বরা বলেন, “আজ যে শান্তি বজায় রাখার বন্ডের কথা বলা হচ্ছে, তাতে AISA সই করবে না, আমিও করব না।” তাঁর আরও বক্তব্য, “এই তদন্তের প্রক্রিয়ায় স্বাভাবিক ন্যায়বিচারের নীতিগুলি মেনে চলতে হবে।”

নেহা জানান, এই পর্যায়ে হাইকোর্ট মামলার মূল বিষয়গুলির যথার্থতা বিচার করেনি। ফলে, পরবর্তী সময়ে বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ করার সুযোগ রয়েছে। আদালত SEM-কে তাঁর বিরুদ্ধে থাকা তথ্যপ্রমাণ ও নথি দেখানোর যে নির্দেশ দিয়েছে, সেই বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি।

নেহা বলেন, “হাইকোর্ট SEM আদালতকে আমাদের বিরুদ্ধে কী কী তথ্যপ্রমাণ রয়েছে, তা দেখানোর নির্দেশ দিয়েছে।” আদালতের নির্দেশের ৩৪ নম্বর পাতার উল্লেখ করে তাঁর দাবি, সেখানে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র তাঁকে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

নেহা আরও জানান, তিনি SEM আদালতে হাজিরা দেবেন এবং সেখানে এই প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে নিজের বক্তব্য তুলে ধরবেন।

শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্ট পুলিশের জারি করা নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করে নেহার দায়ের করা আবেদন খারিজ করে দেয়। বিচারপতি সুব্রামোনিয়াম প্রসাদ বলেন, “এই পর্যায়ে আমি রিট পিটিশনটি খারিজ করছি।” একই সঙ্গে SEM-কে নির্দেশ দেওয়া হয়, এই মামলায় যে তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে পদক্ষেপ করা হচ্ছে, তা নেহা বরাকে দেখাতে হবে।

‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কীভাবে শান্তিভঙ্গ?’পুলিশের নোটিস জারির ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন নেহা বরা। তাঁর দাবি, ১৬ অক্টোবরের প্রতিবাদ কর্মসূচি কোনওভাবেই অগণতান্ত্রিক ছিল না। ওই বিক্ষোভ চলাকালীন কোনও হিংসাত্মক পরিস্থিতি তৈরি হয়ে থাকলে, তার জন্য দিল্লি পুলিশের লাঠিচার্জই দায়ী বলে অভিযোগ করেন তিনি। বিশেষ করে মহিলা বিক্ষোভকারীদের উপর লাঠিচার্জের বিষয়টি তুলে ধরেন নেহা।

প্রতিবাদ কর্মসূচি নিয়ে পুলিশের বক্তব্যও খারিজ করেছেন তিনি। নেহার দাবি, উদ্যোক্তারা কনট প্লেসে জমায়েতের ডাক দেননি, বরং মান্ডি হাউসে জমায়েতের কথা বলা হয়েছিল।

প্রশ্ন তুলে নেহা বলেন, “একটি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কীভাবে শান্তিভঙ্গের কারণ হতে পারে?” তাঁর অভিযোগ, প্রতিবাদের অধিকার এবং সরকারের কাজকর্ম নিয়ে প্রশ্ন তোলার অধিকার খর্ব করতেই এই বন্ডকে হাতিয়ার করা হচ্ছে।

(Feed Source: news18.com)