
শুক্রবার ঘোষণা করা হয়
তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর শুক্রবার সরকার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২০-এর তালিকা ঘোষণা করে। সেই বছর অজয় দেবগণ ও সূর্য তাঁদের সিনেমার মাধ্যমে দর্শকদের ভরপুর মনোরঞ্জন করেন। বলিউড ও দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির দুই দিকপালকে যৌথভাবে সেরা অভিনেতা হিসেবে পুরস্কৃত করার কথা ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। সেই খবর প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে, বলিউড ও দক্ষিণী- দুই সিনে ইন্ডাস্ট্রিকে তুষ্ট রাখতেই কি অজয় দেবগণ ও সূর্যকে যৌথভাবে সেরা অভিনেতার পুরস্কার দেওয়া হল?
তানহাজির জন্য সেরা পুরস্কার পেলেন অজয়
‘তানহাজি: দ্য আনসাং ওয়ারিয়র’ সিনেমার জন্য অজয় দেবগণকে জাতীয় সেরা অভিনেতা হিসেবে পুরস্কৃত করল মোদী সরকার। শিবাজি মাহারাজ ঘনিষ্ঠ যোদ্ধা তানাহাজি মারাঠাদের আবেগের প্রেক্ষাপট অবলম্বন করেই এই সিনেমা তৈরি করেছিলেন অজয় দেবগণ। আর সেই সিনেমার জন্য অভিনেতার ঝুলিতে গেল ৬৮তম সেরা জাতীয় অভিনেতার পুরস্কার। অন্যদিকে কম যান না দক্ষিণী তারকা সূর্যও। জয়ভীম সিনেমার পর থেকেই এই অভিনেতাকে নিয়ে শোরগোল তুঙ্গে। সম্প্রতি মাধবনের ‘রকেট্রি’তেও তাঁর কণ্ঠ শোনা গিয়েছে। যে ছবিতে কাজের জন্য মাধবনের কাছ থেকে ১ পয়সাও নেননি সূর্য। তিনি অজয় দেবগণের সঙ্গে জাতীয় পুরস্কার পেলেন সেরা অভিনেতা হিসাবে।

সুরারাই পত্রু সেরা সিনেমা
সুরারাই পত্রু সেরা সিনেমার পাশাপাশি সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কারও জিতেছে। সেরা অভিনেত্রী হিসাবে অর্পণা বল্লাল জাতীয় পুরস্কার পেলেন। এছাড়াও সেরা ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ও সেরা স্ক্রিনপ্লে হিসাবেও সুরারাই পত্রু সিনেমাটিকে বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, অজয় দেবগণ এই নিয়ে তিনবার জাতীয় পুরস্কারে ভূষিত হলেন। এ আগে জখম (১৯৯৮) ও দ্য লিজেন্ড অফ ভগৎ সিং (২০০২) সিনেমার জন্য তিনি জাতীয় পুরস্কার পান। তবে দক্ষিণী সুপারস্টার সূর্যের জন্য এটা প্রথম জাতীয় পুরস্কার।
বাংলা সিনেমা জিতেছে একটি পুরস্কার
বাংলা থেকে এবার শুধুমাত্র সেরা সিনেম্যাটোগ্রাফার বিভাগে পুরস্কার জিতেছেন সুপ্রতীম ভোল অভিযাত্রিক সিনেমার জন্য। করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে ২ বছর এই জাতীয় পুরস্কারের অনুষ্ঠানে বিরতি ছিল। এদিন অনুরাগ ঠাকুর বলেন, ‘কোভিডের কারণে ২ বছর পুরস্কার দেওয়া যায়নি ৷ এ বছর ৬৮তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার দিতে পেরে ভালো লাগছে।’
