
মাইক্রোসফ্টের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, আমেরিকা, কানাডা, ভারত এবং ব্রিটেনের নির্দিষ্ট কিছু টিম, প্রেসিডেন্ট বা তার চেয়ে নীচুস্তরের কর্মীরা এই পরিকল্পনার আওতায় পড়ছেন। তবে ডেটা সেন্টার, বিক্রয় এবং বিপণন বিভাগের কিছু নির্দিষ্ট টিমের কর্মীদের এর বাইরে রাখা হয়েছে। (Microsoft Layoffs)
আরও পড়ুন:
সংস্থার এগজিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট তথা চিফ পিপল অফিসার এমি কোলম্যান কর্মীদের বার্তা পাঠিয়ে বলেন, “স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার প্রস্তাবটি তাঁদের পরিবর্তিত কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কাজের ক্ষেত্রে আরও নমনীয় পরিবেশ তৈরি করছি আমরা, যাতে কর্মজীবনের পরবর্তী অধ্য়ায়টি নিজেদের মতো করে সাজাতে পারেন কর্মীরা।”
চলতি বছরে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার কর্মীদের স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব দিল মাইক্রোসফ্ট। গত এপ্রিল মাসে ব্রিটেনে প্রায় ৭ শতাংশ কর্মীকে আগেভাগে চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব দেয় তারা। CNBC-র পরিসংখ্যান বলছে, সেবার যাঁদের ওই প্রস্তাব দেওয়া হয়, তাঁদের মধ্য়ে ৩০ শতাংশই স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন।
হিসেব বলছে, চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত সব মিলিয়ে ২ লক্ষ ২৩ হাজার কর্মী ছিল মাইক্রোসফ্টের। ২০২৫ সালের শেষে ২ লক্ষ ২৮ হাজার কর্মী ছিল। এখন আবার স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার যে প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে, সংস্থার মোট কর্মিসংখ্যার ২৭ শতাংশই এর আওতায় পড়বেন। চলতি সপ্তাহের শেষে মাইক্রোসফ্ট ত্রৈমাসিক আয়ের রিপোর্ট প্রকাশ করতে পারে বলে খবর।
ভারতে ২৩০০০ কর্মী রয়েছে মাইক্রোসফ্টের। তাঁদের মধ্যে থেকে কতজন এর আওতায় পড়বেন, এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। তবে জানা যাচ্ছে, ভারতে যাঁরা স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার আওতায় পড়ছেন, ১ ডিসেম্বরের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিতে হবে তাঁদের। মাইক্রোসফ্টের তরফে খুঁটিনাটি না জানানো হলেও, শোনা যাচ্ছে, এক্ষেত্রে যত বছর কাজ করেছেন কোনও কর্মী, প্রত্যেক বছরের জন্য বেসিক বেতনের সমপরিমাণ অর্থ দেওয়া হবে। পাশাপাশি, স্বাস্থ্যবিমা এবং কর্মস্থল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে অন্যান্য সহায়তামূলক পরিষেবাও মিলবে।
(Feed Source: abplive.com)
