ছত্তিশগড় প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে বন্যপ্রাণপ্রেমী ও পর্যটকদের জন্য বড় উপহার। পেন্ড্রায় অবস্থিত আচানকমার টাইগার রিজার্ভে (ATR) নতুন কেভচি গেটের ভার্চুয়াল উদ্বোধন করা হয়েছে। এই নতুন গেট চালু হওয়ার ফলে এখন গৌরেলা-পেন্দ্রা-মারওয়াহি, মনেন্দ্রগড়, অমরকণ্টক এবং জবলপুরের দিক থেকে আসা পর্যটকদের জন্য টাইগার রিজার্ভে জঙ্গল সাফারি করা আরও সহজ হবে।
দেশের এই টাইগার রিজার্ভে চালু হল নতুন কেভচি গেট
রায়পুর: ছত্তিশগড় প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে বন্যপ্রাণপ্রেমী ও পর্যটকদের জন্য বড় উপহার। পেন্ড্রায় অবস্থিত আচানকমার টাইগার রিজার্ভে (Achanakmar Tiger Reserve) নতুন কেভচি গেটের ভার্চুয়াল উদ্বোধন করা হয়েছে। এই নতুন গেট চালু হওয়ার ফলে এখন গৌরেলা-পেন্দ্রা-মারওয়াহি, মনেন্দ্রগড়, অমরকণ্টক এবং জবলপুরের দিক থেকে আসা পর্যটকদের জন্য টাইগার রিজার্ভে জঙ্গল সাফারি করা আরও সহজ হবে। বিশেষ বিষয় হল, এই নতুন রুটে ‘যোদ্ধা’ এবং ‘মহারানি’ নামের জিপসিতে পর্যটকদের জঙ্গল ঘোরানো হবে। প্রথম সাফারির সময় বাইসন এবং ময়ূরের ঝাঁকেরও দেখা মিলেছে।
প্রতিষ্ঠা দিবসে পর্যটনের নতুন উপহার:
ছত্তিশগড় প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তোখন সাহু, রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী অরুণ সাও এবং বনমন্ত্রী কেদার কাশ্যপ ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগ দেন। এই অনুষ্ঠানে আচানকমার টাইগার রিজার্ভের নতুন কেভচি গেটের উদ্বোধন করা হয়। বন দফতরের এই উদ্যোগকে এলাকায় পর্যটন কার্যকলাপ বাড়ানোর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।
এই শহরগুলির পর্যটকরা পাবেন সুবিধা:
এতদিন আচানকমার টাইগার রিজার্ভে সাফারি করতে আসা পর্যটকদের নির্দিষ্ট প্রবেশপথ ব্যবহার করতে হত। কেভচি গেট চালু হওয়ায় গৌরেলা-পেন্দ্রা-মারওয়াহি, মনেন্দ্রগড়, অমরকণ্টক এবং জবলপুরের দিক থেকে আসা পর্যটকরা বিশেষ সুবিধা পাবেন। এর ফলে পর্যটকদের জঙ্গল সাফারির বিকল্প বাড়বে এবং পর্যটন মানচিত্রে এই অঞ্চল নতুন পরিচিতি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
যোদ্ধা ও মহারানি জিপসিতে হবে জঙ্গল সাফারি:
নতুন কেভচি গেট দিয়ে পর্যটকদের ‘যোদ্ধা’ এবং ‘মহারানি’ নামের জিপসির মাধ্যমে সাফারি করানো হবে। এই সময় পর্যটকরা আচানকমারের ঘন জঙ্গল, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং বন্যপ্রাণীদের খুব কাছ থেকে দেখতে পারবেন। প্রথম সাফারিতেই বাইসন এবং ময়ূরের ঝাঁক দেখা যাওয়ায় বন্যপ্রাণপ্রেমীদের কাছে এই রুট বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।
স্থানীয় যুবকদের জন্য খুলবে কর্মসংস্থানের নতুন পথ:
কেভচি গেট চালু হওয়ার ফলে শুধু পর্যটনই বাড়বে না, বরং স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য কর্মসংস্থান এবং স্বনির্ভর হওয়ার নতুন সুযোগও তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সাফারি পরিচালনা, জিপসি পরিষেবা, গাইড, হোমস্টে এবং পর্যটন সংক্রান্ত অন্যান্য কাজের মাধ্যমে স্থানীয় যুবকরা কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে পারেন।
বন দফতর এবং প্রশাসনের এই উদ্যোগের ফলে আচানকমার টাইগার রিজার্ভে পর্যটকদের যাতায়াত বাড়বে এবং গৌরেলা-পেন্দ্রা-মারওয়াহি অঞ্চলকে পর্যটনের নতুন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
(Feed Source: news18.com)